ডেবরায় উদ্ধার আদিবাসী কন্যার নলিকাটা দেহ, ধর্ষন করেই খুন পরিবারের, গ্রেপ্তার ১

269
ডেবরায় উদ্ধার আদিবাসী কন্যার নলিকাটা দেহ, ধর্ষন করেই খুন পরিবারের, গ্রেপ্তার ১ 1
ডেবরায় উদ্ধার আদিবাসী কন্যার নলিকাটা দেহ, ধর্ষন করেই খুন পরিবারের, গ্রেপ্তার ১ 2

নিজস্ব সংবাদদাতা: পশ্চিম মেদিনীপুরের ডেবরা থানার এলাকায় এক আদিবাসী পরিবারের নলিকাটা মৃতদেহ উদ্ধার করে তীব্র অসন্তোষ ছড়িয়েছে এলাকায়। ২৬বছরের তরুনীকে ধর্ষন করে খুন করা হয়েছে এমনটাই দাবি পরিবার ও স্থানীয়দের। মঙ্গলবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে ডেবরা থানার  ষাঁড়পুর গ্রামপঞ্চায়েত এলাকার কাঁকড়া- আত্মারাম গ্রামে।

ডেবরায় উদ্ধার আদিবাসী কন্যার নলিকাটা দেহ, ধর্ষন করেই খুন পরিবারের, গ্রেপ্তার ১ 3

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
নিজের  বাড়ি থেকে ১০০ মিটার মতো দূরে কলা বাগানের মধ্যে থেকে তার দেহ উদ্ধার হয়। ঘটনাস্থলে তিন জায়গায়  চাপ চাপ জমাট বাঁধা রক্ত দেখতে পাওয়া গেছে বলে দাবি স্থানীয়দের।প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন মৃত তরুনীর সালোয়ারের নিম্নভাগের  পোষাক ছেঁড়া অবস্থায় এক পায়ে জড়ানো ছিল অন্য পায়ে ওড়না জড়িয়ে গাছের সঙ্গে বাঁধা ছিল।

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
পরিবার সুত্রে জানা গেছে ঘরের একটি  দুই বোনের  সংগে ঘুমিয়ে ছিল নিহত তরুনী। রাতে ঘরের  বাইরে বের হয় প্রকৃতির ডাকে সাড়া  দিতে । সম্ভবত সেই সময় মুখে চাপা দিয়ে তাকে তুলে নিয়ে যায় দুষ্কৃতি বা দুস্কৃতিদের দল। তুলে নিয়ে যাওয়া হয় ঐ কলা বাগানে। তারপর ওখানেই দুষ্কর্ম করা হয়।

ডেবরায় উদ্ধার আদিবাসী কন্যার নলিকাটা দেহ, ধর্ষন করেই খুন পরিবারের, গ্রেপ্তার ১ 4

রাতে বিছানায় দিদিকে না দেখতে পেয়ে দুই বোন ডাকাডাকি করে। সাড়া না পাওয়ায় বাড়ীর সবাই বাইরে বেরিয়ে আসে। খোঁজাখুজির পর কলা বাগানের মধ্যে এমন অবস্থায় দেহ দেখতে পান। প্রতিবেশীরা জড়ো হয়।ডেবরা থানায় রাতেই খবর যায়।  পুলিশ এসে দেহ উদ্ধার করে নিয়ে যেতে গেলে এলাকার মানুষ বাধা দেয় এবং পুলিশ কুকুরের দাবী করেন।  কিন্ত পুলিশ  প্রসাশন সেই দাবী না মেনে ময়না তদন্তের জন্য দেহ তুলে নিয়ে যায় এমনটাই অভিযোগ।

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
বুধবার ওই তরুনীর জামাইবাবু নাম রাজু হেমরমকে পুলিশ তার গ্রাম থেকে তুলে নিয়ে যায়। রাজুর বাড়ী তার শ্বশুর বাড়ী থেকে দু কিমি দূরে মনোহরপুর গ্রামে। রাজুর স্ত্রী সহ পরিবারের বক্তব্য, তাদের বাড়ীতেই রাজু সারারাত ছিল। পুলিশ প্রসাশন আসল ঘটনা চাপা দিতে রাজুকে তুলে নিয়েগেছে। যদিও জেলার পুলিশ সুপার দিনেশ কুমার জানিয়েছেন রাজু ঘটনার কথা স্বীকার করেছে। পুলিশ সুপার আরও জানিয়েছেন ময়নাতদন্তর  রিপোর্ট পেলেই বোঝা যাবে ধর্ষন হয়েছে কিনা।

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
এদিকে স্থানীয় মানুষদের অভিযোগ গ্রামের মধ্যে মদ আর জুয়ার ঠেক চলে সন্ধ্যা থেকে ভোর রাত পর্যন্ত। গ্রামে চার চারটি জুয়ার ঠেক রয়েছে। আশ পাশের গ্রামগুলি থেকে সাধারন গরীব মানুষ সহ দূষ্কৃতিদের ভিড় জমায় এখানে আর এই সব কারনে এলাকায় অপরাধ বাড়ছে।