১৭দিনের মাথায় ত্রাণ দেখল পুকুরিয়া, সাপধরা, বামাল, বহড়াবনীর লোধা শবর পরিবার

346
Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা: সরকার বলেছিলেন লকডাউনে বিপন্ন নিরন্ন মানু্ষের কাছে খাদ্য পৌঁছে দেবেন, পুলিশ প্রশাসন সরকারি বেসরকারি বহু সংস্থা ত্রান নিয়ে নেমেছেন রাস্তায় কিন্তু ত্রানের মুখ দেখেনি প্রত্যন্ত অঞ্চলের বহু গ্রাম বিশেষ করে অন্ত্যজ পশ্চাদপদ জনগোষ্টিগুলির একটি অংশ। এমনটাই দাবি করলেন ঝাড়গ্রাম, লালগড় সহ জঙ্গলমহলের বহুগ্রাম। শুক্রবার সেরকমই কিছু পরিবারে ত্রান নিয়ে গেলেন মেদিনীপুর ছাত্র সমাজের সদস্যরা। আর লকডাউন ঘোষনার ১৭দিনের মাথায় সেই ভরসাতেই ত্রান কাকে বলে দেখলেন ওই পরিবার গুলি।

Advertisement

‘পশ্চিম বঙ্গ লোধা শবর সমাজ’য়ের কার্যকরী সভাপতি ঝরনা আচার্য্য জানান, ” আমরা ঝাড়গ্রাম জেলা কমিটির পক্ষ থেকে ‘মেদিনীপুর ছাত্র সমাজ’কে আবেদন জানিয়েছিলাম লকডাউনে বিপন্ন এই লোধা শবর পরিবারগুলির পাশে দাঁড়াতে। সেই আবেদনে সাড়া দিয়ে ওই সংগঠনটি ঝাড়গ্রাম থানার পুকুরিয়া, সাপধরা,প্রণবপল্লী মাসাংডিহি ও লালগড় থানার বামাল, বহড়াবনী, কদমখণ্ডি, মেটাল এই ৮ টি গ্রামের ৩১৬টি পরিবারের হাতে চাল ডাল আলু মুড়ি চানাচুর তেল নুন সয়াবিন মসলা সাবান ইত্যাদির একটি করে সমন্বিত প্যাকেট তুলে দেওয়া হয়। আমরা কৃতজ্ঞ মেদিনীপুর ছাত্র সমাজের প্রতি। এই লোধা ও শবর পারিবার গুলি এখনও সরকার বা অন্য কোনও সংগঠনের তরফে এখনও অবধি কোনও রকম ত্রান পাননি।”

Advertisement
Advertisement

মেদিনীপুর ছাত্র সমাজের পক্ষ থেকে সম্পাদক রাজকুমার বেরা জানিয়েছেন, ‘আমরা অত্যন্ত সীমাবদ্ধ ক্ষমতার মধ্যে চেষ্টা করেছি যদিও জানি এঁদের পক্ষে এটা যথেষ্ট নয়। আশা করছি আরও অনেক সংগঠনই এগিয়ে আসবেন।’ মেদিনীপুর ছাত্র সমাজ অবশ্য লকডাউন ঘোষনার প্রথম দিন থেকেই রাস্তায় নেমেছে। মেদিনীপুর শহরের অসহায় গৃহহীন , বস্তি বাসি ভবঘুরে মেসে আটকে থাকা ছাত্র ছাত্রীদের সহায়তা করে আসছে। এর আগেও পশ্চিম মেদিনীপুরের নারায়নগড়, শালবনীর লোধা শবর পারিবারগুলিকেও ত্রান দিয়েছে। রাজকুমারের সঙ্গে এদিন সংগঠনের কোষাধ্যক্ষ কৌশিক কঁচ ও লোধা শবর সমাজের জেলা সম্পাদক তারাপদ মল্লিক এবং লালগড় ব্লক সম্পাদক উত্তম সর্দাররা উপস্থিত ছিলেন।