অপেক্ষা

170
অপেক্ষা 1

অপেক্ষা 2✍️কলমে: নাসরীন নঈম

বর্ষার প্রথম কদম কেয়ার মতো মনটা
সুবাসিত হয়ে আছে তুমি আসছো কখন?

অপেক্ষা 3

এইতো বৃষ্টি থেমে গ্যাছে পাতার ফাঁকে
আকাশটা হাসছে
কাদের মিয়ার হাতের ছেনির মতো
সূর্য ঝকঝক করছে।

তুমি আসছো তো?

ভেজা খড়ের স্তুপের পাশে
লক্ষ্মী বধূর পোষা মুরগী দুটো
মহা উল্লাসে খুট খুট করে খাচ্ছে কিছু খড়কুটো।

দিঘীর পাড়ের কালুমাঝি তার নৌকা ছেড়েছে
পেটুক ছেলের ফোলা পেটের মতো সাদা পাল
উড়ছে বাতাসে। তুমি আসছো না কেনো?

সীমানা পার হবো

নাসরীন নঈম

উপমাবিহীন এক ভালো লাগায় মন ভরে আছে।
হৃদয়ের তলদেশে কবোষ্ণ কিছু কথা
নীলকণ্ঠ পাখির ঠোঁটে ভর করে আসে রোজ রোজ।

সময়ের দরজা বন্ধ- মহাকালের প্রহরী অগ্নিচক্ষু মেলে
ভষ্ম করে দিচ্ছে সবকিছু। আমার এখন
অন্যরকম সময়
তোমার কারুকাজ খচিত দরজাটা খুলে দাও
ভেতরে যাবো।

বোবা স্মৃতির মতো কালের প্রহরী অটল নিশ্চুপ
আমি অনুষ্টুপ ছন্দে কথা বলি,
পাতার ফাঁকে আকাশ দেখি।
মেঘকে দু’হাত দিয়ে বারণ করি–
তুমি এসো না এখন।
আমি সময়ের সীমানাটা পার হবো।

Previous articleঅনুগল্প
Next articleসপ্তদ্বীপা অধিকারীর দুটি কবিতা