নাহার আহমেদের দুটি কবিতা

147
নাহার আহমেদের দুটি কবিতা 1

 

নাহার আহমেদের দুটি কবিতা 2✍️কলমে: নাহার আহমেদ

নাহার আহমেদের দুটি কবিতা 3

নিত্যকার রুটিনগুলো এখন
কারারুদ্ধ । ভয়াবহ আতন্কের চাকায় পিষ্ট ,
কঠিন বাস্তবতা ।
চাওয়া পাওয়ার প্রত্যাশাগুলো
হতাশার গুমোট আচ্ছাদনে
অবরুদ্ধ ।
অসাঢ় অনুভূতি ।
আঁচলের ভাঁজে ভাঁজে বিষন্নতা ।
পরিত্রাণের প্রত্যাশায় প্রতিটা
দীর্ঘশ্বাস অপেক্ষারত
আশরাফুল মাখলুকাতদের ।
প্রজাপতি ভাবনার পাখায়
দুঃস্বপ্নেরা দানা বেঁধে আছে ।
সময়ের ধূপকাঠিতে জ্বলছে
আতন্কগ্রস্হের নিরুপায় প্রলাপ
আত্মবিশ্বাসের প্রজ্বলিত শিখা
রন্ধ্রে রন্ধ্রে ছড়িয়ে দিক সহনশীলতার সাহসী প্রলেপ ।
পরিত্রাণের অদৃশ্য হাতছানিতে
নতুন আগামী অপেক্ষারত

উচ্ছাসিত ক্ষণ

ভাবনার উইপোকারা ঘুন ধরিয়ে
দিয়েছিল আমার
প্রজাপতি পাখা গুলোয় ,যা দিয়ে
উড়তে চেয়েছিলাম
স্বর্ণালী নীপবনে ।
একমুঠো স্বচ্ছ ভালোবাসার জন্য
উড়ুউড়ু মন ছিল উন্মাদনায় ঘোর
কাশফুল হৃদয়ের হেলেপড়া
ঢেউ খেলানো অঙ্গনে
বিরহের ছায়ারা,চোরকাঁটা হয়ে
পায়ে পায়ে বিধেঁছিল ।
মেঘবালিকার খোলা বুকটাতে
মধুর পরশ বুলিয়ে,
স্নিগ্ধতার অবগাহনে তারে
সিক্ত করে যায় শরৎ ।
যৌবন দূতের পদধবনি শুনি
কাশের বনে ।
আমার সারা অঙ্গে এক,না -বলা
শিহরণ জাগে ।
বিসুভিয়াসের লাভার মতো
টগবগে উত্তাপ ।
কড়া নাড়ে অনুভূতির জানালায়।
উড়াল দিতে ইচ্ছে করলো
সেই আকাশটাতে , যেখানে
শরতের লাজুক মেঘেদের
লুকোচুরি খেলা ।
নীলাঞ্জনার মিষ্টি ছোঁয়া
দু’হাত বাড়িয়ে আছে
আলিঙ্গন করতে।হৃদয়ে আমার
রং ছড়াতে ।
তাইতো গাইতে ইচ্ছে করলো
“হৃদয় আমার নাচেরে আজিকে
ময়ুরেরও মতো নাচেরে “