প্রজাপতির স্লোগানে ভোর আসে

167

প্রজাপতির স্লোগানে ভোর আসে 1✍কলমে: তনু ঘোষ ।

“সব ঝুট হ্যায়”! মুখোশ গিলতে গিলতে ত্রস্তপায়ে একলা হাঁটি। ব্যাঙাচির জীবনচক্র পড়তাম আর বর্ষা হলেই, যেভাবে পুকুরপাড়ে গিয়ে বসতাম ।
মানুষের দরকার একটা নৈঃশব্দের! প্রাণহীন চর আবাদী হোক, খোলস ছাড়ো মানুষ। গ্রীষ্মশেষে শিমুল যেমন ফেটে পড়ে, তুমিও ভেসে যাও জল-কাদায় ।
বিভাবরীতে যদি ভাবো বেহাগ, যদি সঙ্গত করো- প্রকৃতির আবহ সঙ্গীতের সাথে, তুমি জিতবে। এ দুনিয়ায় “হয় না ” কথাটি ব্যাকডেটেড।
বিশ্রাম নাও ঘাসের সাথে,
ঘুমাও তুমি, ঘুমাও…..

রাত্রির কাছে হাতপেতে ছিলাম, গভীর ঘুমের ! নিষ্ঠুর হাতে সে আমার রঙীন গেলাসে পুঁতে দিয়েছে – মারিজুয়ানা, যখন প্রজাপতির ডানায় উঠেছিলো — “স্লোগান “!
নেশায় বুঁদ হই, গভীর রাতে নেশা আরো কড়া হয়— অন্ধকার নৈঃশব্দের!
দ্রিমি ছন্দে ভেসে ওঠে অতীত স্মৃতির জলছবি।
আমার পোড়া হৃদয়, সিগারেটের ছাই হয়ে বসে থাকে।
কেন পারিনা, তোমায় ছুঁতে! রেডিওতে কেন বাজে অতন্দ্রিলা? মাথা ছিঁড়ে যাচ্ছে আমার! কারা যেন পিছন থেকে সামনে, বামদিক থেকে ডানদিকে অনবরত পায়চারি করছে। দুই হাতে চুল মুঠি করেভাবি—
“নগ্ন প্রেম”! তারপর, প্রজাপতি ওড়ার উৎস খুঁজি–
হামাগুড়ি দিয়ে…..
ডুবে যাই কালো অন্ধকারে, আকাশের দুর্বোধ্য সংকেতে!

আরও পড়ুন -  অনুগল্প

এই মরা শহরে রোজ ফুল ফোটে, পাখিদের জলসায় অনধিকার প্রবেশ করি, আমি দুহাত বাড়িয়ে থাকি– একটা দুটো প্রজাপতি এসে বসুক! তাদের শরীরে আঙুল ছুঁইয়ে দিই- মানুষের অস্তিত্ব জানাতে। হারতে এসেছি– আজ। ওহে, শ্রেষ্ঠজীব! ঝু্ঁকে পড়ো একবার।
তাই এ শহর আজও কবি হয়- উষর ঠোঁটে ফোটে
প্রেমিকের গোলাপী হৃদয়! শুরু হয়েছে অনাদি প্রেমের সুর।
রিস্ট ওয়াচ জানিয়ে দেয়- রাত্রি শেষে ভোর এসে দাঁড়িয়েছে জানলায় ….

প্রজাপতির স্লোগানে ভোর আসে 2