মারনাতঙ্কের ইতালিতে মৃত্যুভয়ে সিঁটিয়ে চিকিৎসক ও নার্সদের ভরসা দিচ্ছে খুদে টমি আর তার দলবল

238
Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা: মৃত্যু ভয়ে কাঁপছে বিশ্ব নন্দনকলার শ্রেষ্ঠ দেশ ইতালি। কফিন বওয়ার লোক মেলা ভার। হাসপাতাল গুলো যেন মৃত্যুপুরী। শুনশান ফাঁকা রাস্তায় আজ গিটার বাজিয়ে গান করার লোক নেই। বসন্তে যেন ফুল ফুটতে ভুলে গেছে, পাখির কলতান শোনার লোক নেই। সব চেয়ে খারাপ অবস্থা চিকিৎসক নার্স আর স্বাস্থ্যকর্মীদের । প্রতিদিন করোনার মৃত্যু মাড়িয়ে চিকিৎসা করতে হচ্ছে তাঁদের। মৃত্যু ভয় তাড়া করছে তাদেরও। কিন্তু কর্তব্য করে যেতেই হচ্ছে। এই মুহূর্তে সেখানে আক্রান্তের সংখ্যা দেড় লক্ষ ছুঁই ছুঁই , মৃত প্রায় ১৭ হাজার।

Advertisement

 

Advertisement
Advertisement

এমত মৃত্যু উপত্যকায় যেন দেবদূত হয়ে এসেছে পুঁচকে চেহারার এক রত্তি ছেলে টমি আর তার দলবল।
দলবল বলতে আরও পাঁচটি টমির সংস্করন। সব মিলিয়ে টমিরা যেন ছ’টি যমজ ভাই।
হ্যাঁ, ঠিকই ধরেছেন, করোনা রুগীদের চিকিৎসার জন্য ৬ টি উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন রোবট তৈরি করেছে ইটালি। আর তারই একটি রোবট টমি যার নেতৃত্বে ইটালির সার্কোলো হসপিটালে কাজ করে যাচ্ছে টমি ও তার দলবল। এদের মুখের কাছে একটি করে ক্যমেরা বসানো আছে যার সাহায্যে তারা সমস্ত কিছুর ওপর নজরদারি করতে পারে। আছে একটি করে মাইক্রোফোন। যা দেখছে তার সমস্ত কিছু রেকর্ড করে চিকিৎসকদের কাছে পাঠিয়ে দিচ্ছে এই রোবটের দল।

 

 

শরীরের তাপমাত্রা, হৃদস্পন্দন, ব্লাডপেশার, সবই মেপে জানিয়ে দিচ্ছেন তারা। আর এরফলে চিকিৎসক বা স্বাস্থ্যকর্মীদের সব সময় রুগীর কাছে যেতে হচ্ছেনা। এর জন্য হসপিটালে চিকিৎসক কর্মী কম লাগছে। ভাইরাস সংক্রমণের সম্ভবনা কমে গেছে।
রোবট গুলোতে একবার চার্জ দিলে তা অনেকক্ষন ধরে কাজ করছে এতটাই উন্নত রিচার্জবল ব্যাটারি ব্যবহার করা হয়েছে।

 

চিকিৎসা ক্ষেত্রে টমি এবং তার দলবলের এই ব্যবহার আশা জুগিয়েছে অন্য দেশগুলিকেও। ইতালির সাথে করোনা ছড়িয়ে পড়েছে ইওরোপ আর আমেরিকাতেও। স্পেন, ফ্রান্স ছাড়িয়ে করোনার এপিসেন্টার এখন আমেরিকা। তাই এরাও খোঁজ খবর নিচ্ছে টমির প্রযুক্তির।