মাহেন্দ্রক্ষণ

145
মাহেন্দ্রক্ষণ 1

মাহেন্দ্রক্ষণ 2✍️কলমে: তনু ঘোষ

হাত রেখেছি গভীর রাতের অন্ধকার বুকে,
হাতড়ে চলেছি আলোলিকার নকশা আঁকা স্বপ্ন
আলো- আঁধারি জানালা দেখে,
শহরের রাজপথে সুখী মানুষের ঢল।
একটি তারার ছায়া পড়ে পেয়ালার
রেড ওয়াইনের ওপর
অপেক্ষা একটু উষ্ণতার মাহেন্দ্রক্ষণ।

বেয়াদব কিছু জনগণ তখনও ক্ষিদের চাবুক চিবোয়,
হৃৎপিন্ডে লোফালুফি খেলা চলে,
কেবল ভাতের উষ্ণ চুম্বনের জন্য।

আরও পড়ুন -  স্বদেশ-সম্পাদনা-রবীন্দ্রনাথ

খোলা চুলে খুঁজে চলি ঠোঁট, ব্যতিব্যস্ত আঙুল খোঁজে আঙুলের খাঁজ, দুইপাশে চামড়ার নীচে দুটো হার্টের উত্তাল লহরী আবিষ্কারের নেশায় বুঁদ।
বোবা ইশারা জ্বলে ওঠে প্রত্যাশিত
ভালোবাসার শীতে।
তারপর ঘাম জমে, উপত্যকায় ।

ভোরের কোমল উষ্ণতা মাড়িয়ে চলে যায়
দুর্ভাগ্য জর্জরিত যুবক,
হিমশীতল চোখে ভেসে ওঠে কৃত্রিম একটি রাত
আঁশটে গন্ধ গলার কাছে জমিয়ে রেখে
এগিয়ে যায় দূরে,
আমার কৌতুহলী মনে ঘাসফড়িং ডানা ঝাপটায়,
একটু উষ্ণতার জন্য ওরা দাঁড়িয়েছে পথের ধারে।

আরও পড়ুন -  সংস্কার

শিশির দেখে শীতের প্রাবল্য মাপি, কাঁটায় বুনি উল
তুমুল প্রেমে পড়বো এবার,
হিমালয়ে জমবে রাশি রাশি হিম।
দু’দন্ড শান্তিতে জন্মাবে একটি শিশু,
ঢেলে দেবো জমানো ওম।
সেঁকে সেঁকে বানাবো ইস্পাত!

চলো তবে , হাঁটু মুড়ে বসি উদিত সূর্যের নীচে
পবিত্র রোদ খুঁজি একটু উষ্ণতার জন্যে।

মাহেন্দ্রক্ষণ 3