বাবার পকেট কেটে চল্লিশ হাজার টাকা নিয়ে বন্ধুদের দিঘা দেখাতে রজত

414
বাবার পকেট কেটে চল্লিশ হাজার টাকা নিয়ে বন্ধুদের দিঘা দেখাতে রজত 1
বাবার পকেট কেটে চল্লিশ হাজার টাকা নিয়ে বন্ধুদের দিঘা দেখাতে রজত 2

নিজস্ব সংবাদদাতা : বন্ধুদের বাবার নেই , ওর বাবার আছে তাই বন্ধুদের নিয়ে সমুদ্র দেখতে চলে এসেছিল রজত । রজত প্রধান । ইচ্ছে ৩ জনে মিলে দিঘা বেড়াতে যাবে তারা।সমুদ্র দেখবে, মাছভাজা খাবে।এ জন্য টাকার জোগাড় আগে ভাগে করেই ফেলেছিল তাদের একজন।

বাবার পকেট কেটে চল্লিশ হাজার টাকা নিয়ে বন্ধুদের দিঘা দেখাতে রজত 3

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
সিদ্ধান্ত মতো স্কুলের ইউনিফর্ম গায়ে বাস ধরেই বৃহস্পতিবার দুপুরে দিঘা পৌঁছায় কাঁথি ১ ব্লকের দুলালপুর পঞ্চায়েত এলাকার বেতগাড়িয়া এবং দুলালপুরের ৩ কিশোর মনোরঞ্জন সাউ, দীপ নায়ক এবং রজত প্রধান।দীপ পঞ্চমের এবং বাকি দুজন সপ্তমের ছাত্র।১২-১৪ বছরের মধ্যে তাদের বয়স।দিনভর দিঘায় ঘুরে সন্ধেয় রামনগর আসে তারা।

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
সেখানেই তিনজনকে সন্দেহজনকভাবে ঘোরাঘুরি করতে দেখে তাদের আটক করে ট্রাফিক পুলিশ।থানায় নিয়ে এলে তাদের থেকে উদ্ধার হয় একটি নতুন দামি স্মার্টফোন এবং নগদ ২৬ হাজার ৫০০ টাকা।মোবাইল-টাকার উৎস্য জানতে চাইলেই বাড়ি থেকে টাকা চুরির কথা স্বীকার করে নিয়ে সপ্তমের পড়ুয়া রজত।বাবার পকেট কেটে ৪০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেওয়ার কথা স্বীকার করে নেয় সে।

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
রামনগর থানার ওসি স্বপন গোস্বামী বলেন,”সন্দেহজনকভাবে ঘোরাঘুরি করতে দেখে ওদের থানায় নিয়ে আসা হয়।বাড়িতে বকাবকি করার জন্য স্কুল বেরিয়ে দিঘা পালিয়ে এসেছিল।৩ কিশোরের মধ্যে একজনের থেকে একটি মোবাইল, টাকার পাওয়া গিয়েছিল।” খবর পেয়েই ৩ কিশোরের পরিবারের লোকেরা রাতে এসে পৌঁছান রামনগর থানায়।মুচলেকা জমা দিয়ে ৩ কিশোরকে থানা থেকে নিয়ে যান তাঁরা।উদ্ধার হওয়া টাকা এবং মোবাইল রজতের বাবা কালিপদ প্রধানের হাতে তুলে দেয় পুলিশ।

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
কালিপদ পেশায় কাজু ব্যবসায়ী।তিনি বলেন,” ব্যবসার টাকা রাখা ছিল বাড়িতে।সেখান থেকেই ৪০ হাজার টাকা নিয়ে পালিয়ে এসেছিল রজত।” জানা গেছে, সমুদ্র দেখানো এবং মাছ ভাজা খাওয়ানোর লোভ দিয়ে রজতই দিঘায় ডেকে নিয়ে এসেছিল মনোরঞ্জন আর দীপকে।পুলিশকে স্কুলের ওই ৩ কিশোর জানিয়েছে, ভবিষ্যতে আর এই ধরণের কাজ তারা করবে না।