Homeএখন খবরবৌদি বাড়িতে আছেন? দরজা খুললেই মহিলাদের হাতে স্যানেটারি ন্যাপকিন পৌঁছে দিচ্ছেন...

বৌদি বাড়িতে আছেন? দরজা খুললেই মহিলাদের হাতে স্যানেটারি ন্যাপকিন পৌঁছে দিচ্ছেন এসএফআইয়ের ছাত্রীরা

নিজস্ব সংবাদদাতা: চাল, ডাল, আটা, সাবান মায় স্যানিটাইজ হ্যান্ডওয়াশ অবধি নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের তালিকায়। কিন্তু স্যানেটারি ন্যাপকিন ! কে ভেবেছিল যে সেটাও আবশ্যিক প্রয়োজনীয়? ভাবল ভারতের ছাত্র ফেডারেশন, এসএফআই। কারন চলতি নিত্য প্রয়োজনীয়ের তালিকায় কোনও দিনই রাখা হয়নি বস্তুটাকে। অথচ ঘরে ঘরে ব্যবহার হওয়া এই বস্তুটি যে বাজার থেকে হাফিস হয়ে যাচ্ছে এটা কেউ কাউকে বোধহয় সংকোচে বলতেই পারেনি।

পাড়ার ওষুধের দোকানে স্টক শেষ। বড় দোকানেও পাওয়া যাচ্ছে না অতি প্রয়োজনীয় এই জিনিসটি। বারবার গিয়েও ফিরে আসতে হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে রাজ্যের মহিলাদের পাশে দাঁড়াল এসএফআই। মহিলাদের অতি প্রয়োজনীয় এই সামগ্রী বাড়ি বাড়ি গিয়ে পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে তারা।
দেশজুড়ে এই লকডাউনের পরিস্থিতিতে রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব ভুলে হাতে হাত মিলিয়ে কাজ করছে সবাই। অনেক অন্যের প্রয়োজনে এগিয়ে আসছে। অনেক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন খাবার তুলে দিচ্ছে অভুক্তদের মুখে। নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস কেনার জন্য অর্থ সাহায্যও করছে অনেকে। কিন্তু এসবের মাঝে স্যানিটারি ন্যাপকিনের উল্লেখ নেই কোথাও। লকডাউনের আগে যাঁরা প্যাড কিনে বাড়িতে মজুত রেখেছিলেন, তাঁদের কোনও সমস্যা নেই। কিন্তু অনেকেই শেষ মুহূর্তে দোকানে গয়ে খালি হাতে ফিরেছেন। আশা ছিল কিছুদিন পরে হয়তো যোগান আসবে। কিন্তু অনেককেই ফিরতে হচ্ছে খালি হাতে। দোকানে স্টক শেষ। মহিলাদের অত্যন্ত প্রয়োজনীয় এই সামগ্রী দিতে এবার এগিয়ে এল এসএফআই।

রাজ্য সংগঠন সূত্রে এই জানা গিয়েছে, মার্চের ২৫ তারিখ থেকেই মহিলাদের জন্য বাড়িতেই স্যানিটারি ন্যাপকিন পৌঁছে দিচ্ছেন সংগঠনের সদস্যরা। এখনও পর্যন্ত হাজার পাঁচেক প্যাড পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। যাঁদের প্যাড কেনার সামর্থ নেই তাঁদের বিনামূল্যেই এগুলি দেওয়া হচ্ছে। বিভিন্ন প্রস্তুতকারী সংস্থা থেকে স্যানিটারি ন্যাপকিন কেনা হয়েছে। সেগুলোই মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। সম্প্রতি নদিয়া জেলায় বাড়ি বাড়ি গিয়ে স্যানিটারি ন্যাপকিন পৌঁছে দেওয়ার কাজ করেছেন এসএফআই সদস্যরা।

এসএফআইয়ের এক মহিলা নেত্রী জানিয়েছেন, ” এই সময়ে স্যানিটারি ন্যাপকিন শুধুই আবশ্যিক প্রয়োজনীয়ই নয়, স্বাস্থ্যের জন্য জরুরিও বটে। সেই কথাটাও মাথায় রাখা হয়েছে। মায়েদের, বোনেদের সবার কাছেই অনুরোধ কোনও সংকোচ না করে আপনার নিকটবর্তী আমাদের সংগঠনের সঙ্গে যোগাযোগ করুন। টাকা পয়সার জন্য চিন্তা করবেননা।” সত্যি অভাবনীয় ভাবনা বলে জানিয়েছেন মহিলারা।

RELATED ARTICLES

Most Popular