ক্ষোভ উগরে ফের বেসুরো শতাব্দী! সাত সাংসদের একজন কি তিনিও

66
ক্ষোভ উগরে ফের বেসুরো শতাব্দী! সাত সাংসদের একজন কি তিনিও 1

অশ্লেষা চৌধুরী:অতি সম্প্রতি ৭ থেকে ৮জন সাংসদ বিজেপিতে যোগ দিতে পারেন এমন জল্পনা চলছে বাজারে । যদিও কে কে যাবেন তেমন কোনও নাম স্পষ্ট করে কেউ বলেনি কিন্তু খোদ তৃনমূলের ঘরেও এ নিয়ে  যথেষ্ট আলোড়ন পড়েছে।  তারই মধ্যেই শাসকেরঅস্বস্তি বাড়িয়ে বেসুরো বোলপুর সাংসদের কথায় সেই জল্পনায় ঘি পড়ল যেন। শতাব্দী রায়ের ফ্যান ক্লাবের একটি ফেসবুক পোস্ট, যেখানে সাংসদ একরাশ ক্ষোভ উগরে সাংসদ জানিয়েছেন, যদি তিনি কোনও সিদ্ধান্ত নেন, শনিবার জানাবেন।

ক্ষোভ উগরে ফের বেসুরো শতাব্দী! সাত সাংসদের একজন কি তিনিও 2

পোস্টে তিনি জানিয়েছেন, ‘বহু কর্মসূচির খবর আমাকে দেওয়া হয় না। না জানালে আমি যাব কী করে? এ নিয়ে আমারও মানসিক কষ্ট হয়।’ পোস্টে বীরভূমে তাঁর নির্বাচনী কেন্দ্রের মানুষের প্রতি বার্তা দিয়েছেন তৃণমূল সাংসদ। আর সেই ফেসবুক পোস্টেই তিনি জানিয়েছেন, ‘ যদি কোনও সিদ্ধান্ত নিই, ১৬ জানুয়ারি শনিবার দুপুর দুটোয় জানাব।‘

ক্ষোভ উগরে ফের বেসুরো শতাব্দী! সাত সাংসদের একজন কি তিনিও 3

কিন্তু কী সিদ্ধান্ত,আর কেনই বা সিদ্ধান্ত? তার উত্তরে শতাব্দী লিখেছেন, ‘ইদানিং আমাকে অনেকে প্রশ্ন করছেন কেন আমাকে বহু কর্মসূচিতে দেখা যাচ্ছে না? আমি তাঁদের বলছি, যে আমি সর্বত্র যেতে চাই। আপনাদের সঙ্গে থাকতে আমার ভাল লাগে। কিন্তু মনে হয় কেউ কেউ চায় না আমি আপনাদের কাছে যাই। আর এর পরেই শতাব্দী লিখেছেন, বহু কর্মসূচির খবর আমাকে দেওয়া হয় না। না জানালে আমি যাব কী করে?’

যদিও এ নিয়ে বারবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও শতাব্দীর কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে দমদমের তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায় বলেন, ‘জানিন না কী হয়েছে, কী সিদ্ধান্ত নেন দেখা যাক।‘ তবে একের পর এক সাংসদের এইভাবে সু্র কেটে যাওয়া কী সত্যিই সেই ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, তারা দলে থেকে কাজ করতে পারছেন না, তারা কারও দ্বারা বাধা প্রাপ্ত হচ্ছেন? যদি হয়েও থাকে তবে কারা কে বা কারা? কারণ দলের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ আগেও উঠেছিল। ঝাঁকে ঝাঁকে দল ছেড়ে পদ্ম শিবিরে যোগ দিয়েছেন তাবড় তাবড় নেতা।

এরই মধ্যে দক্ষিণের শুভেন্দু থেকে শুরু করে উত্তরের মিহির, বর্ধমান পূর্বের সাংসদ সুনীল মণ্ডল, ব্যারাকপুরের তৃণমূল বিধায়ক শীলভদ্র দত্ত অনেকেই রয়েছে। তারপরেও বেসুরোদের তালিকা বেড়েই চলেছে। সেই তালিকায় প্রথমেই রয়েছেন রাজ্যের বনমন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়। সম্প্রতি তিনিও ঘোষণা করেছেন ১৬ই জানুয়ারি ফেসবুক লাইভে আসবেন, জ্জনতার কাছে সরাসরি না কি তিনি কিছু জানাতে চান, যা বঙ্গ রাজনীতিতে যথেষ্ট শোরগোল ফেলেছে।

এই উত্তেজনার মাঝেই আবার সাংসদ শতাব্দী রায়ের অভিযোগে ভরা ফেসবুক পোস্ট। তিনিও মনের কথা জানানোর জন্য সেই ১৬ই জানুয়ারিকেই বেছে নিয়েছেন। তাহলে কী দুজনেই একসাথে কোনও বার্তা দিতে চলেছেন? কী সিদ্ধান্ত নেবেন তারা, এখন সেদিকেই তাকিয়ে সকলে।

Previous articleজীর্ণ মন্দিরের জার্নাল-৮৩।। চিন্ময় দাশ
Next articleডিমের সাদা অংশ খেলে যত উপকার পাবেন