ভরা বাজারে তৃণমূল নেতাকে লক্ষ্য করে গুলি, তড়িঘড়ি পাঠানো হল কলকাতায়

109
Advertisement

নিউজ ডেস্ক: প্রকাশ্য দিবালোকে তৃণমূল নেতাকে লক্ষ্য করে গুলি। হুগলির বাঁশবেড়িয়া পুরসভার বিদায়ী উপ পৌরপ্রধান আদিত্য নিয়োগীকে লক্ষ্য করে গুলি। প্রকাশ্য দিবালোকে দুষ্কৃতীরা বাইকে করে এসে পেছন থেকে গুলি চালায় বলে দাবী প্রত্যক্ষদর্শীদের। আপাতত তিনি কলকাতার বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। এলাকায় উত্তেজনা। কে বা কারা গুলি চালাল ? এবং কি কারণে গুলি চালাল সেই তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

Advertisement

জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার সকালে বাজার করতে গিয়ে গুলিবিদ্ধ হন তৃণমূল নেতা আদিত্য নিয়োগী। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে প্রথমে এলাকার দলীয় কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকে তাঁকে চুঁচুড়ার বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হওয়ায় সেখান থেকে তৃণমূল নেতাকে কলকাতায় রেফার করা হয়েছে। বর্তমানে কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে তিনি চিকিৎসাধীন। জানা গেছে তিনি বাঁশবেড়িয়া পৌরসভার প্রাক্তন পৌর প্রধান ছিলেন। মঙ্গলবার সকালে ঘটনাটি ঘটে বাঁশবেড়িয়া বেলতলা বাজারে। আদিত্য নিয়োগীর কোমরে গুলি লেগেছে বলে খবর ।

Advertisement
Advertisement

আদিত্যকে প্রথম চুঁচুড়া হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় সেখানে গুলি বের করতে না পারায় স্থানীয় একটি নার্সিং হোমে নিয়ে যাওয়া হয় সেখানেও তার পিঠ থেকে গুলি বের করা সম্ভব হয়নি। এরপর কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে তার শিরদাঁড়ায় আটকে রয়েছে গুলি। এই মুহূর্তে তার অবস্থা বেশ খানিকটা সংকটজনক বলে জানাচ্ছেন চিকিৎসকরা। এদিকে ঘটনাকে কেন্দ্র করে বাঁশবেড়িয়া উত্তাল হয়ে ওঠে মঙ্গলবার সকালে।

সূত্রের, খবর পুরসভার ক্ষমতা দখলকে কেন্দ্র করে এই ঘটনা ঘটেছে। বিজেপি নেতৃত্ব এটাকে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব হিসেবে দাবী করেছে। স্থানীয় বিধায়ক তপন দাশগুপ্ত বলেন, দলেরই একটা অংশের তাকে হারাতে গোপনে বিজেপির সঙ্গে যোগাযোগ করছিল। পরবর্তীতে সব তথ্য প্রকাশ্যে আসে এবং হাতেনাতে ধরা পড়ে যায়। প্রাথমিকভাবে অনুমান করছেন বাঁশবেড়িয়া তৃণমূল নেতা রাজা চ্যাটার্জী বলেন ঘটনাস্থলে সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করেছেন। সেখান থেকে পরিষ্কার হয়ে যাবে আততায়ী কে ? ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় যথেষ্ট উত্তেজনা রয়েছে। চুঁচুড়া থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে টহল দিচ্ছে।

এদিকে এই ঘটনার পর সাধারণ মানুষের মুখে মুখে একটাই কথা- তৃতীয়বারের জন্য তৃণমূল সরকারের শপথ গ্রহণের পর এখনও রাজ্য অব্যাহত হিংসা, যা নিয়ন্ত্রণ করতে ব্যর্থ রাজ্য সরকার।