ওড়িশা থেকে গ্রেপ্তার শিলিগুড়ির মোবাইল ছিনতাই চক্র! বাগডোগরা থেকে হরিণের শিং সহ গ্রেপ্তার ৩ পাচারকারী

254
ওড়িশা থেকে গ্রেপ্তার শিলিগুড়ির মোবাইল ছিনতাই চক্র! বাগডোগরা থেকে হরিণের শিং সহ গ্রেপ্তার ৩ পাচারকারী 1

নিজস্ব সংবাদদাতা: শিলিগুড়ি শহরে মোবাইল ছিনতাইয়ের সঙ্গে যুক্ত একটি চক্রকে ওড়িশা থেকে গ্রেপ্তার করে আনল পুলিশ। সঙ্গে উদ্ধার করা হয়েছে কয়েকটি মোবাইল ফোনও। সূত্র মারফৎ জানা গেছে এই অপারেশনটি করেছে নিউ জলপাইগুড়ি পুলিশের একটি দল। এমনিতেই শিলিগুড়ি শহর জুড়েই সক্রিয় বিভিন্ন প্রকার অপরাধ চক্র। এই চক্রের কেউ মাদক পাচার করে তো কেউ বন্যপ্রানের অঙ্গপ্রত্যঙ্গ। কেউ আবার ব্যংক জালিয়াতি কেউ এটিএম লুঠ। পাশাপাশি একটি চক্র দামি মোবাইল সেট ছিনতাইয়ে সক্রিয় ছিল। সেরকমই একটি চক্রকে হাজার কিলোমিটার পথ অতিক্রম করে গ্রেপ্তার করল নিউ জলপাইগুড়ি পুলিশ।

পুলিশ জানিয়েছে ওড়িশার জাজপুর জেলার পুর্বকোট এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে কানাইয়া প্রধান নামে এক ব্যাক্তিকে যার কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে ১০ টি বহুমূল্য মোবাইল ফোন। গ্রেপ্তার করারপর স্থানীয় আদালতে পেশ করে মঙ্গলবার ট্রানজিট রিমান্ডে নিউ জলপাইগুড়ি নিয়ে আসা হয়েছে প্রধানকে।তারপর ধৃত ব্যাক্তিকে বুধবার জলপাইগুড়ি আদালতে পেশ করে আরও তথ্য সংগ্রহের জন্য নিজেদের হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ।

ওড়িশা থেকে গ্রেপ্তার শিলিগুড়ির মোবাইল ছিনতাই চক্র! বাগডোগরা থেকে হরিণের শিং সহ গ্রেপ্তার ৩ পাচারকারী 2

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে গত ২৮শে ফেব্রুয়ারি রাত্রে জয় প্রকাশ গুপ্তা নামক এক মোবাইল ব্যাবসায়ী দোকান বন্ধ করে ১৪ টি নতুন মোবাইল সঙ্গে নিয়ে বাড়ি ফিরছিল।ভক্তিনগর এলাকায় কয়েকজন যুবক তার পথ আটকে অস্ত্র দেখিয়ে তার কাছে থাকা মোবাইল গুলি ছিনতাই করে নেয়।ঘটনার পরপরই এন জে পি থানায় অভিযোগ দায়ের করেছিল ওই ব্যাবসায়ী।

অন্যদিকে আরও একটি বড়সড় বন্যপ্রাণীর প্রত্যঙ্গ পাচারকারিদের একটি দল গ্রেপ্তার হয়েছে বাগডোগরা থেকে। এই কৃতিত্বের দাবিদার অবশ্য সীমা সুরক্ষা বল বা এসএসবির জওয়ানরা। এই দলটির সক্রিয়তায় বাগডোগরার দালগা ফরেস্টের জংলীবাবা মন্দির সংলগ্ন এলাকা থেকে হরিণের সিং সহ তিন যুবককে প্রথমে আটক করে এস‌এসবির ৮নম্বর ব‍্যাটেলিয়ানের জওয়ানরা। ধৃতরা হল

শিবল মাহালী (২১), গৌতম নায়েক (২২) ও বিকাশ মুন্ডা (২২), ধৃতরা সকলেই মাটিগাড়া এলাকার বাসিন্দা বলে জানা গিয়েছে। ধৃতদের আটক করে বাগডোগরা প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে শারীরিক পরিক্ষা করার পর বনবিভাগের কাছে নিয়ে আসা হয়। পরে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে।