করোনার দাপট; দেশে দৈনিক সংক্রমণে কিছুটা স্বস্তি মিললেও উদ্বেগ বাড়াচ্ছে দৈনিক মৃত্যু, ২৪ ঘন্টায় মৃত ৪ হাজার ছুঁই ছুঁই

58
Advertisement

নিউজ ডেস্ক: ভারতে করোনা ভাইরাসের সর্বনাশ পর পর দ্বিতীয় দিন সামান্য হ্রাস পেয়েছে এবং নতুন কেস হ্রাসের সাথে পুনরুদ্ধারের রোগীদের সংখ্যাও বেড়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে কোভিড -১৯ এর ৩.২৯ লক্ষ নতুন মামলা সামনে এসেছে, এর আগে সোমবার ৩.৬৬ লক্ষ নতুন মামলা এসেছিল।

Advertisement

ভারতে কোভিড -১৯ এ আক্রান্তের নতুন মামলা হ্রাস পেয়েছে, তবে মৃত্যুর সংখ্যা উদ্বেগ বাড়াচ্ছে । গত ২৪ ঘন্টার মধ্যে সারা দেশে করোনার ভাইরাসের ৩,৮৭৬ রোগী প্রাণ হারিয়েছেন, এর আগে সোমবার, ৩,৭৫৪ জন মারা গিয়েছিলেন।

Advertisement
Advertisement

কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের দেওয়া তথ্যানুযায়ী, গত ২৪ ঘন্টায় ভারতে করোনা ভাইরাসে সংক্রামিত হয়েছে ৩ লক্ষ ২৯ হাজার ৯৪২ জন, আর এই সময়ের মধ্যে ৩,৮৭৬ জন প্রাণ হারিয়েছেন। এর পরে ভারতে ২ লক্ষ ৪৮ হাজার ৯৯২ জন প্রাণ হারিয়েছেন।গত ২৪ ঘন্টায় ৩ লাখ ৫৬ হাজার ০৮২ রোগী করোনাকে পরাজিত করেছেন। এখন পর্যন্ত দেশে মোট ১ কোটি ৯০ লক্ষ ২৭ হাজার ৩০৪ রোগী সুস্থ হয়েছেন।

বর্তমানে দেশ জুড়ে মোট করোনার কেস – ২ কোটি ২৬ লাখ ৬২ হাজার ৫৭৫ টি । মোট টেস্ট – ১ কোটি ৯০ লাখ ২৭ হাজার ৩০৪ জন। মোট মৃত্যু – ২ লাখ ৪৯ হাজার ৯৯২ জনের। সক্রিয় কেস – ৩৭ লাখ ১৫ হাজার ২২১ । মোট টিকা – ১৭ কোটি ২৭ লাখ ১০ হাজার ০৬৬ জনকে ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছে।

করোনার সংক্রমণে মহারাষ্ট্র সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হয়েছে। একই সঙ্গে, রাজ্যের স্বাস্থ্য অধিদফতরের প্রকাশিত তথ্য অনুসারে, সোমবার করোনার সংক্রমণের ৩৭ হাজার ২৩৬ টি নতুন মামলা এসেছে। এর পরে, রাজ্যে সংক্রামিতের মোট ৫১ লক্ষ ৩৮ হাজার ৯৭৩ হয়েছে। বর্তমানে রাজ্যে ৫ লক্ষ ৯০ হাজার ৮১৮ টি সক্রিয় মামলা রয়েছে যাদের চিকিৎসা চলছে। একই সময়ে, করোনায় আক্রান্ত ৫৪৯ রোগীও মারা গেছেন, যার কারণে মোট মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭৬ হাজার ৩৯৮। রাজ্যে এখন পর্যন্ত ৪৪ লক্ষ ৬৯ হাজার ৪২৫ জন রোগী করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন।

উদ্বেগ বাড়ছে বাংলাতেও। সোমবার স্বাস্থ্য দপ্তরের দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী রাজ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে করোনা আক্রান্ত ১৯,৪৪৫ জন এবং মৃত ১৩৪ জন। পশ্চিমবঙ্গে করোনার অ্যাকটিভ রোগী রয়েছেন ১,২৬,৬৬৩ জন।গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনা জয় করে সুস্থ হয়েছেন ১৮ হাজার ৬৭৫ জন। যার ফলে রাজ্যে এই মুহূর্তে পুনরুদ্ধারের হার দাঁড়াল ৮৬.২৬ শতাংশ।