সাড়া দিচ্ছেন সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়, প্লাজমা থেরাপি করা হবে কিনা সে বিষয়ে শুক্রবার বৈঠক নেফ্রলজিস্টদের

259
সাড়া দিচ্ছেন সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়, প্লাজমা থেরাপি করা হবে কিনা সে বিষয়ে শুক্রবার বৈঠক নেফ্রলজিস্টদের 1
সাড়া দিচ্ছেন সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়, প্লাজমা থেরাপি করা হবে কিনা সে বিষয়ে শুক্রবার বৈঠক নেফ্রলজিস্টদের 2

ওয়েব ডেস্ক : গত কয়েকদিন শারীরিক অবস্থার অবনতির পর বৃহস্পতিবার আগের চেয়ে অনেকটাই সুস্থ রয়েছেন সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার চিকিৎসায় সাড়াও দিয়েছেন বর্ষীয়ান অভিনেতা। তবে এখনই সেভাবে সাড়া দিতে পারছেন না সৌমিত্রবাবু। চিকিৎসক সূত্রে জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার নিজে থেকেই চোখ খুলছেন অভিনেতা। তাঁর শরীরে এখন আর জ্বর নেই। পাশাপাশি আরও জানা গিয়েছে, অভিনেতার ইনফেকশন আগের চেয়ে অনেকটাই স্বাভাবিক হয়েছে।

পাশাপাশি এদিন চিকিৎসকদের তরফে জানানো হয়, আপাতত একদিন অন্তর সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের ডায়ালিসিস চলছে। যেহেতু তাঁর শরীরে ক্রিয়েটিনিন ও ইউরিয়ার মাত্রা অনেকটাই বেশি ছিল, সেহেতু তা নিয়ন্ত্রণে রাখতে চিকিৎসকরা অভিনেতার ডায়ালিসিসের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পাশাপাশি প্রবাদপ্রতিম অভিনেতার আগেই তুলনায় মূত্রত্যাগ স্বাভাবিক। অভিনেতার শারীরিক অবস্থা প্রসঙ্গে চিকিৎসক অরিন্দম কর বলেন,”আশা করছি, কিডনি সম্পূর্ণ স্বাভাবিক হয়ে উঠবে। ইনফেকশন আগের চেয়ে ভালো অবস্থায়। শরীরে জ্বর নেই। অ্যান্টিবায়োটিক বন্ধ করে দেব। অ্যানিমিয়াও স্থিতিশীল। লিভারের কার্যক্ষমতাও ঠিকঠাক। এটা বলতে পারি, গত ৭ দিনের চেয়ে তাঁর শারীরিক অবস্থার উন্নতি হয়েছে।”

সাড়া দিচ্ছেন সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়, প্লাজমা থেরাপি করা হবে কিনা সে বিষয়ে শুক্রবার বৈঠক নেফ্রলজিস্টদের 3

যেহেতু সৌমিত্রবাবুর বয়স অনেকটাই বেশী, তারওপর শরীরে একাধিক অসুখ রয়েছে, সেটিই চিকিৎসকদের চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে। আপাতত চিকিৎসকদের তরফে অভিনেতার সচেতনতার মাত্রা বাড়ানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। পাশাপাশি অভিনেতাকে ভেন্টিলেশন থেকে বের করে আনা যায় কিনা সেবিষয়েও চিন্তাভাবনা করছে চিকিৎসকরা৷ পাশাপাশি অভিনেতার প্লাজমা থেরাপি করা হবে কিনা সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে শুক্রবার বৈঠকে বসবেন নেফ্রলজিস্টরা। জানা গিয়েছে, এবিষয়ে তাঁরাই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন। তবে সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের মেডিকেল টিমের অন্যতম সদস্য ডাঃ অরিন্দম কর এবিষয়ে জানান, “গত কয়েক দিনের চেয়ে অভিনেতার শারীরিক অবস্থা আপাতত যথেষ্ট ইতিবাচক। তবে এর মাঝে তার শরীরে বেশ কিছু সমস্যাও রয়েছে। আমি খুশি, উনি সাড়া দিচ্ছেন। তাঁর মেয়ের চোখে আনন্দ দেখেছি। তবে অনেক দূর যেতে হবে।”