Homeএখন খবরবড় খবর! খড়গপুর-মেদিনীপুর এবং জঙ্গলমহলের, আরও একটি স্পেশাল ট্রেন ছুটবে শালবনী, চন্দ্রকোনা...

বড় খবর! খড়গপুর-মেদিনীপুর এবং জঙ্গলমহলের, আরও একটি স্পেশাল ট্রেন ছুটবে শালবনী, চন্দ্রকোনা রোড, গড়বেতা, বিষ্ণুপুর, বাঁকুড়ায় স্টপেজ দিয়ে

Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা: লকডাউনের জন্য রফাদফা হয়েছে ট্রেন যাত্রার। নিয়মিত ট্রেন বাতিল করা হয়েছে। বিশেষ করে লোকাল, প্যাসেঞ্জার কিংবা ডিএমইউ গুলি। এই পরিস্থিতিতে ভরসা স্পেশাল ট্রেন। জঙ্গলমহলবাসীর জন্য এই মুহুর্তে পুরুলিয়া, গোমো সহ গোটা চারেক ট্রেনই ভরসা। তাও এই ট্রেনগুলি সময়ের নিরিখে যথেষ্ট হয়। অর্থাৎ অফিস, আদালত, ব্যবসা কিংবা স্বাধীন পেশা যাই হোকনা কেন সেই সময়টাকে ঠিকঠাক পূরণ করে উঠতে । বিশেষ করে যারা খড়গপুর মেদিনীপুরের দিক থেকে ক্রমশ উত্তর দিকে যাবেন অফিস সময়ে তাঁদের জন্য খুবই অসুবিধার। এই অবস্থায় জঙ্গলমহলকে কিছুটা স্বস্তি দিচ্ছে দক্ষিণপূর্ব রেলের আরও তরফে ঘোষিত আরও একটি স্পেশাল ট্রেন।

দক্ষিণ পূর্ব রেল সূত্রে জানানো হচ্ছে রবিবার বাদ দিয়ে এই ট্রেন চলবে প্রতিদিনই। 02535/02536 শালিমার-ভুজুডি -শালিমার স্পেশাল ট্রেন নামে ট্রেনটি চলবে। যার অর্থ একবার ট্রেনটি শালিমার থেকে ভুজুডি যাবে এবং ভুজুডি থেকে ফের শালিমার ফিরে আসবে। আগামী সোমবার অর্থাৎ ২৮শে জুন (28th june) থেকেই শুরু হচ্ছে এই স্পেশাল ট্রেনটি।

প্রতিদিন সকাল ৭.৪৫ ঘন্টায় শালিমার থেকে রওনা হয়ে ট্রেনটি ভুজুডি পৌঁছাবে বেলা ১.১০ ঘন্টায়। এরপর ২৫মিনিটের বিশ্রাম নিয়ে ট্রেনটি ফের ১.৩৫ ঘন্টায় রওনা দিয়ে সন্ধ্যা ৭.১৫ঘন্টায় শালিমার পৌঁছাবে। এবার দেখে নেওয়া যাক কোন কোন স্টেশনে ট্রেনটি দাঁড়াবে। শালিমার থেকে ছাড়ার পর ট্রেনটি প্রথম দাঁড়াবে সাঁতরাগাছি। এরপর একদম পাঁশকুড়ায়। তারপর কোনও স্টপেজে না থেমে সোজা খড়গপুরে এসে দাঁড়াচ্ছে এরপর মেদিনীপুর, শালবনী, চন্দ্রকোনা রোড, গড়বেতা, বিষ্ণুপুর, বাঁকুড়া, আদ্রা, সাঁওতালডি হয়ে ভুজুডি। ফেরার পথেও ওই একই স্টপেজ ধরে শালিমার পৌঁছাবে।

এবার দেখে নেওয়া যাক কোন স্টেশনে ট্রেনটি কখন পৌঁছাবে এবং ছাড়বে। একমাত্র খড়গপুর ও আদ্রায় ট্রেনটি ৫মিনিট দাঁড়াবে আর সাঁওতালডিতে মাত্র ১মিনিট। বাকি সমস্ত স্টেশনে দাঁড়াবে ২মিনিট করে। ট্রেনটির পৌঁছনোর সময়ের সঙ্গে দাঁড়ানোর এই সময় যোগ করলে পাওয়া যাবে ছাড়ার সময়। এবার দু পিঠে স্টেশনে ট্রেনটির পৌঁছনোর সময় হল:-

মনে রাখতে হবে এটি স্পেশাল ট্রেন। তাই সাধারণ ট্রেনের চেয়ে এর ভাড়া বেশি হবে। করোনা বিধি মেনে ট্রেনে চড়তে হবে। অর্থাৎ মাস্ক পরা আবশ্যক। নচেৎ ২০০টাকা ফাইন। আসন সংরক্ষিত থাকবে তাই আগে থেকে টিকিট কাটা জরুরি। ট্রেনের সব আসনেই যাত্রীরা বসতে পারবেননা। কেবলমাত্র বসার জন্য চিহ্নিত আসনেই যাত্রীরা বসতে পারবেন।

Advertisement

Advertisement

RELATED ARTICLES

Most Popular