আপার প্রাইমারিতে দ্রুত নিয়োগের পথে রাজ্য সরকার! নেওয়া হচ্ছে বিশেষজ্ঞর পরামর্শ

455
আপার প্রাইমারিতে দ্রুত নিয়োগের পথে রাজ্য সরকার! নেওয়া হচ্ছে বিশেষজ্ঞর পরামর্শ 1

অভিনন্দন রানা : আপার প্রাইমারি বা উচ্চ প্রাথমিকে নিয়োগ নিয়ে নির্বাচনের আগেই আদালতের রায়ে জোর ধাক্কা খেয়েছে রাজ্য সরকার। বাতিল করা হয়েছে চলতি নিয়োগ প্রক্রিয়াকে। বলা হয়েছে নতুন করে নিয়োগ প্রক্রিয়া চালু করতে। সেই পথেই এবার অগ্রসর হল রাজ্য। সমস্ত জটিলতা কাটিয়ে ভোটের আগেই দ্রুত নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ করার চেষ্টা করছে সরকার পক্ষ।

তবে নিয়োগ প্রক্রিয়াতে যাতে আর কোনও জটিলতা না থাকে আর নিয়োগ প্রক্রিয়া এবার স্বচ্ছভাবে শেষ করাই বড় চ্যালেঞ্জ কমিশনের কাছে। কারন কার্যত কোর্টের রায়ে এটাই প্রমাণিত নিয়োগ প্রক্রিয়ায় যথেষ্ট অসচ্ছতা ছিল। তবে সে সব দূরে সরিয়ে শিক্ষা দফতর যত দ্রুত সম্ভব নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ করার লক্ষে। এ ব্যাপারে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নেওয়ার কথা বলা হয়েছে স্কুল সার্ভিস কমিশনকে।

আপার প্রাইমারিতে দ্রুত নিয়োগের পথে রাজ্য সরকার! নেওয়া হচ্ছে বিশেষজ্ঞর পরামর্শ 2

এ বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রী জানান, তাঁরা আদালতের বিস্তারিত রায় হাতে পেয়েছেন তাঁরা। এই রায়কে মান্যতা দিয়ে কিভাবে কত দ্রুত যোগ্য চাকরিপ্রার্থীরা চাকরি পান সে বিষয়ে পদক্ষেপের নির্দেশ দিয়েছেন বলে জানান তিনি। পাশাপাশি কিভাবে এই রায়কে মান্যতা দিয়ে উচ্চ প্রাথমিক স্তরে শিক্ষক সম্পুর্ন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা যায় সে বিষয়ে আইনজ্ঞদের পরামর্শ নেওয়ার কথাও তিনি এসএসসিকে জানিয়েছেন বলে জানান তিনি।

এই কথাতেই কার্যত পরিষ্কার যে সরকার সম্ভবত সিঙ্গেল বেঞ্চের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে ডিভিশন বেঞ্চে যাচ্ছেনা। কারন সেক্ষেত্রে আরও সময় নষ্ট হবে এবং ভোটের আগে কার্যত উচ্চ প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগ সম্ভব হবেনা। হাইকোর্টের নির্দেশে আগামী বছরের ৪ঠা জানুয়ারি থেকে নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরুর কথা বলা আছে। কমিশনের তরফে এও খবর পাওয়া যাচ্ছে যে হয়ত কমিশন নিজেই আবেদন করতে পারে কোর্টের কাছে যাতে তারও আগে নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করা যায়। কারন সেক্ষেত্রে ভোটের আগেই নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ করা সম্ভব হবে এবং শাসক দলও উচ্চ প্রাথমিকে নিয়োগ নিয়ে কতটা সিরিয়াস সেটাও প্রমান করা যাবে।

তবে ইতোমধ্যেই আদালতের রায় হাতে নিয়ে উচ্চ প্রাথমিকে চাকরিপ্রার্থীরা আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়ে রেখেছেন। সঙ্গে তাল ঠুকছে বিরোধী দলগুলোও। বিজেপি, সিপিআইএম তো এই ইস্যু নিয়ে ভোটে যাবে তাও করজত পরিষ্কার। তাই রায় নিয়ে আর আদালতে না গিয়ে দ্রুত নিয়োগ করে নিজেদের বিড়ম্বনা এড়াতে চাইছে সরকারপক্ষ।