বাংলায় ভোটপ্রচারে ‘জয় শ্রীরাম’ ধ্বনি তোলার বিরোধিতায় দায়ের করা জনস্বার্থ মামলা খারিজ শীর্ষ আদালতের

284
বাংলায় ভোটপ্রচারে 'জয় শ্রীরাম’ ধ্বনি তোলার বিরোধিতায় দায়ের করা জনস্বার্থ মামলা খারিজ শীর্ষ আদালতের 1

নিউজ ডেস্ক: বাংলার ভোটপ্রচারে জয় শ্রীরাম ধ্বনি নিষিদ্ধ হোক’, আর্জি খারিজ করল সুপ্রিম কোর্ট। শীর্ষ আদালত বাংলা নির্বাচনী প্রচারে ‘জয় শ্রীরাম’ ধ্বনি তোলার বিরোধিতায় দায়ের একটি জনস্বার্থ মামলা খারিজ করল।

বাংলায় ভোটপ্রচারে 'জয় শ্রীরাম’ ধ্বনি তোলার বিরোধিতায় দায়ের করা জনস্বার্থ মামলা খারিজ শীর্ষ আদালতের 2

এমএল শর্মা নামের এক আইনজীবী আদালতে জনস্বার্থ মামলাটি দায়ের করেছিলেন। তাঁর অভিযোগ ছিল, “ধর্মের নামে ভোট চাইতে বিজেপি নেতারা বাংলায় ‘জয় শ্রীরাম’ ধ্বনি তোলেন।” শুধু তাই নয় তিনি নির্বাচনী প্রচারে যাঁদের ‘জয় শ্রীরাম’ ধ্বনি দিতে দেখা গিয়েছে, তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতেও আদালতে আর্জি জানান। কিন্তু মঙ্গলবার তাঁর আর্জি খারিজ করে দেয় শীর্ষ আদালত সুপ্রিম কোর্ট।

বাংলায় ভোটপ্রচারে 'জয় শ্রীরাম’ ধ্বনি তোলার বিরোধিতায় দায়ের করা জনস্বার্থ মামলা খারিজ শীর্ষ আদালতের 3

এছাড়াও ওই আইনজীবী একই সময়ে নির্বাচন হওয়া সত্ত্বেও অসম, তামিলনাড়ু, কেরল এবং পুদুচেরিতে যদি ১ থেকে ৩ দফার মধ্যে নির্বাচন সেরে ফেলা যায়, সে ক্ষেত্রে বাংলায় কেন ৮ দফায় ভোট করতে হচ্ছে, তা নিয়েও আদালতে একটি জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেছিলেন। তাঁর যুক্তি ছিল, বাংলায় সন্ত্রাসী হামলাও হয়নি। যুদ্ধ পরিস্থিতিও নেই। তা সত্ত্বেও ৮ দফায় নির্বাচনের সিদ্ধান্ত সংবিধানের ১৪ নম্বর অনুচ্ছেদের পরিপন্থী। তাই নির্বাচন কমিশনকে সিদ্ধান্ত বদলের নির্দেশ দিতে বলেন আদালতকে। কিন্তু শীর্ষ আদালত আবেদনকারীর যুক্তির সঙ্গে একমত নন বলে সেটিও খারিজ করে দেয়।

আইনজীবী শর্মা গত ১ মার্চ আদালতে আবেদনটি জানান।তাতে বলা হয়, জনপ্রতিনিধিত্ব আইনের ১২৩ এবং ১২৫ ধারায় সাফ বলা রয়েছে যে,ধর্মীয় স্লোগান এবং জাতপাত, সম্প্রদায়ের ভিত্তিতে যদি কোনও দল বা প্রার্থী, তাঁর এজেন্ট অথবা সহযোগীদের কেউ নির্বাচন প্রভাবিত করার চেষ্টা করেন, তা হলে তা অপরাধ বলে গণ্য হবে। বাংলার নির্বাচনে ধর্মীয় উস্কানি জোগাতে বিজেপি নেতারা লাগাতার তা করে চলেছেন। তাই তাঁর বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া উচিৎ।

আজ মঙ্গলবার প্রধান বিচারপতি এসএ বোবদে, বিচারপতি এএস বোপান্না এবং ভি রামসুব্রহ্মণ্যমের ডিভিশন বেঞ্চে মামলার শুনানি শুরু হলে, আইনজীবী শর্মার ওই আবেদন খারিজ করে দেয় শীর্ষ আদালত।

প্রসঙ্গত,তাঁকে বিষয়টি নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে যেতে বলা হয় তাঁকে। তা নিয়ে বিরোধিতা করেন ওই আইনজীবী। নির্বাচনী প্রচারে ধর্মীয় স্লোগানের বিরুদ্ধে কেন হাইকোর্টে যেতে হবে তাঁকে, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি।

Previous articleবাঁকুড়ার শুশুনিয়ার পর এবার ওড়িশা সিমলিপাল; জাতীয় বনভূমি দাউদাউ করে জ্বলছে গত ১০ দিন ধরে, কেউ কী শুনছেন?
Next articleষড়যন্ত্রের গন্ধ নিয়েই নন্দীগ্রাম যাত্রা শুরু মমতার! শুরুতে মুখ্যমন্ত্রী ৭০ শতাংশের