মাদকযোগে শীঘ্রই গ্রেফতারের সম্ভাবনা সুশান্তের ট্যালেন্ট ম্যানেজার জয়া সাহা

131
মাদকযোগে শীঘ্রই গ্রেফতারের সম্ভাবনা সুশান্তের ট্যালেন্ট ম্যানেজার জয়া সাহা 1

ওয়েব ডেস্ক : মাদকযোগে ইতিমধ্যেই ৬ জনকে গ্রেফতার করেছে NCB। এবার মাদক কারবারী ও মাদকচক্রের সাথে জড়িত থাকার অপরাধে যেকোনও মূহুর্তে NCB-র হাতে গ্রেফতার হতে পারেন সুশান্তের ট্যালেন্ট ম্যানেজার জয়া সাহা। সেই খবর প্রকাশ্যে আসার পর পরই এবার জয়ার সাহার একাধিক দাবি সামনে আসতে শুরু করেছে। জয়ার দাবি, সুশান্তের মৃত্যুর ৮ দিন আগে ৫ জুন জয়ার সাথে সুশান্তের শেষবারের মতো দেখা হয়েছিল।

জয়া সাহা NCB-কে জানিয়েছেন, ৫ জুন পরিচালক কুমার মঙ্গলের নতুন সিনেমার বিষয়ে কথা বলতে সুশান্ত সিং রাজপুতের বাড়িতে গিয়েছিল জয়া। সুশান্তের সঙ্গে এবিষয়ে অনেক্ষণ কথা হয়। তিনি জানান, গল্পের বিষয়ে সুশান্ত বরাবরই খুব সিলেক্টিভ৷ তবে ওই সিনেমার গল্প বেশ পছন্দ হয়েছিল সুশান্তের। পাশাপাশি ওই সিনেমার জন্য সুশান্তকে কুমার মঙ্গলের তরফে ৬ কোটি টাকা পারিশ্রমিক দেওয়ার কথাও ওইদিনই জানিয়েছিলেন জয়া। তবে সুশান্ত সেই পারিশ্রমিক শুনে খুশি হননি বরং সুশান্ত পালটা ১২ কোটি টাকা পারিশ্রমিকের দাবি করেছিলেন। সুশান্ত জয়াকে সাফ জানিয়েছিলেন ১২ কোটি টাকা পারিশ্রমিক দিলে তবেই তিনি ওই ছবির করতে পারবেন।

মাদকযোগে শীঘ্রই গ্রেফতারের সম্ভাবনা সুশান্তের ট্যালেন্ট ম্যানেজার জয়া সাহা 2

এর পাশাপাশি সুশান্তের ট্যালেন্ট ম্যানেজার জয়া সাহা আরও দাবি করেন, ওইদিন সুশান্ত খুব অদ্ভূত ব্যবহার করছিলেন। জয়া সাহার সঙ্গে মিটিংয়ের মাঝখানেই তিনি আচমকা উঠে ঘরের মধ্যে পায়চারি শুরু করে দেন। আবার তিনি হঠাৎ করে বেড রুমে চলে যান, বেশ খানিক্ষণ পর ফিরে আসেন সুশান্ত। একইসাথে জয়া সাহার দাবি অনুযায়ী, সুশান্ত নাকি ভালো নেই একথা জয়াকে জানিয়েছিলেন অভিনেতা সুশান্ত সিং রাজপুত। কিন্তু এখন প্রশ্ন হচ্ছে, মৃত্যুর দিন কয়েক আগে সুশান্ত যদি তাঁর ভালো না থাকার কথা জয়াকে সত্যিই জানিয়ে থাকেন, তবে সেকথা এতদিন না জানিয়ে আচমকা জয়ার এই দাবির কারণ কি?

আরও পড়ুন -  মেয়ের ভাবনা বাস্তবায়ন করতে লকডাউনে বাড়িতে বসেই দুঃস্থদের জন্য মাস্ক বানাচ্ছেন অধ্যাপিকা মা

এদিকে প্রয়াত অভিনেতা সুশান্ত সিং রাজপুতের ট্যালেন্ট ম্যানেজার জয়া সাহার সঙ্গে দীপিকা পাড়ুকোনের ম্যানেজার করিশ্মা প্রকাশের বন্ধুত্বের খবর ইতিমধ্যেই প্রকাশ্যে এসেছে। জানা গিয়েছে, তারা দুজনেই মাদক পাচারকারী ও মাদক কারবারীদের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রাখেন। শুধু তাই নয়, তাঁরা দুজনে একই মাদক কারবারী এবং পাচারকারীর সঙ্গে হোয়াটস অ্যাপে যুক্ত ছিলেন, সম্ভবত সেখান থেকেই তাদের একে অপরের সাথে পরিচয় বলেই মনে করা হচ্ছে।