“পুলিশ কেন নাবালকের দেহ লুকিয়ে লুকিয়ে সৎকার করল?‌” মল্লারপুরে পুলিশি হেফাজতে নাবালকের মৃত্যুতে পুলিশকে কাঠগড়ায় তুলল সৌমিত্র খাঁ

253
Advertisement

ওয়েব ডেস্ক : পুলিশের হেফাজতে থাকাকালীন নাবালকের মৃত্যুর প্রতিবাদে শুক্রবার থেকেই উত্তপ্ত বীরভূমের মল্লারপুর। নাবালকের মৃত্যুর পর বাড়ির লোককে লুকিয়েই দেহ সৎকার করে পুলিশ। এই ঘটনার প্রতিবাদে শুক্রবারই পথে নেমেছে গেরুয়া শিবির। এদিকে বিজেপির ডাকে শনিবার সকাল থেকে মল্লারপুরে চলে ১২ ঘণ্টার বনধ। এর জেরে এদিন সকাল থেকে সব দোকান পাট, বাজার বন্ধ রাখতে দেখা যায়। শনিবার বিজেপি যুব মোর্চার রাজ্য সভাপতি তথা সাংসদ সৌমিত্র খাঁ-র নেতৃত্বে মল্লারপুর থানা ঘেরাওয়ের পরিকল্পনা আগেই ছিল গেরুয়া বাহিনীর। সে অনুযায়ী বিজেপি কর্মীদের তরফে এলাকায় বিরাট মিছিল বের করা হয়।

Advertisement

তবে শেষমেশ সেই পরিকল্পনায় জল ঢালে পুলিশ। মিছিল কিছু দূর এগোতেই পথ আটকায় পুলিশ। গোটা রাস্তায় ব্যারিকেড দিয়ে দেওয়া হয়। এরপর পুলিশের সাথে বিজেপি কর্মীদের ধস্তাধস্তি শুরু হয়। ভেঙে দেওয়া হয় ব্যারিকেড। পরিস্থিতি ক্রমশ উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। খবর পেয়ে বিশাল পুলিশ বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করে। এদিকে মিছিল এগোতে না দেওয়ায় রাস্তায় বসে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন বিজেপি সাংসদ সৌমিত্র খাঁ। পাশাপাশি এদিন তিনি মল্লারপুর থানার ওসি-কে গ্রেফতারের দাবি জানিয়ে বলেন, “এই সরকার যদি মনে করে পুলিশকে দিয়ে এ সব কিছু করাবে, তা কিন্তু চলতে পারে না। আমরা এর বিরুদ্ধে থানার সামনে অবস্থানে বসব।”

Advertisement
Advertisement

এদিন বিজেপির যুব মোর্চার রাজ্য সভাপতি তথা সাংসদ সৌমিত্র খাঁ বিস্ফোরক অভিযোগ তুলে বলেন, ” মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় লাশ চুরি করছেন আর অনুব্রত মণ্ডল ডাকাতের সর্দার। ১৪ বছরের নাবালক শুভ মেহেনা নামে মৃত ওই কিশোরের পরিবারকে হুমকি দিচ্ছে তৃণমূল।” এদিন সৌমিত্র খাঁ প্রশ্ন করেন, “শুক্রবার সকালে ওই নাবালকের মৃত্যুর পর পুলিশ কেন তার দেহ লুকিয়ে লুকিয়ে সৎকার করল?‌ দেহ কেন গ্রাম পর্যন্ত এল না?‌ কেন ওই নাবালকের মা–বাবার সঙ্গে পুলিশ আমাকে কথা বলতে দিচ্ছে না। মল্লারপুরে পুলিশ হল তৃণমূলের সবচেয়ে বড় গুন্ডা। আমরা গুন্ডাদের ভয় পাই না।” যদিও সৌমিত্র খাঁ এর এই অভিযোগ একেবারেই অস্বীকার করেছে তৃণমূল। তবে এই ঘটনায় তৃণমূলের তরফে বিজেপির বিরুদ্ধে পাল্টা দেহ নিয়ে রাজনীতির অভিযোগ তোলা হয়েছে।