আমফানের ক্ষতিপূরণ নিতে, ক্ষতিপূরণ ফেরৎ দিতেই ভিড় পূর্ব মেদিনীপুরে

226

ওয়েব ডেস্ক : আমফানের পর কেটে গিয়েছে প্রায় আড়াই মাস৷ এর মধ্যেই ফের একবার ক্ষতিপূরণের দাবি জানানোর সুযোগ পেয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের ৮ জেলার বাসিন্দারা। এর জেরে বৃহস্পতিবার থেকে এসডিও, বিডিও অফিসের সামনে লম্বা লাইন পরতে দেখা যায়। কিন্তু এর একেবারে উল্টো ছবি চোখে পড়লো পূর্ব মেদিনীপুরের কয়েকটি বিধানসভা কেন্দ্রে। বৃহস্পতি ও শুক্রবার সেখানকার বিভিন্ন সরকারি অফিসের সামনে বহু মানুষকে লাইন দিতে দেখা গিয়েছে। তবে এখানেই একটু তফাত রয়েছে, এক্ষেত্রের লাইনটা ক্ষতিপূরণের টাকা নেওয়ার নয়, বরং টাকা ফেরত দেওয়ার। সরকারি ত্রানের টাকা যাঁদের প্রয়োজন পড়েনি, তাঁরা টাকা ফেরত দিতে লাইনে দাঁড়ালেন। কিন্তু এখানেই উঠছে প্রশ্ন। যাদের টাকার প্রয়োজন স্বাভাবিকভাবেই তারা আবেদন করার পরই তাদের সরকারি টাকা মিলেছে, তাহলে সেই টাকা কেন ফেরত দিতে যাবেন তারা? নাকি এই টাকা আদতে যাদের প্রয়োজন নেই তাদেরকেই দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু আমফান দুর্নীতি সামনে আসতেই সেই টাকা ফেরত দেওয়ার হিড়িক পড়েছে।

আরও পড়ুন -  পথ ভুলে বেলদার গৃহস্থের অতিথি পেনিনসুলা কুটার, ঠাঁই মিলল খড়গপুরের হিজলীতে

এবিষয়ে শনিবার পূর্ব মেদিনীপুরের তৃণমূলের জেলা সভাপতি ও সাংসদ শিশির অধিকারী জানান, “ত্রাণের টাকা যাঁদের প্রয়োজন পড়েনি তাঁদের কাছ থেকে টাকা ফেরত নেওয়া হচ্ছে। ‌রীতিমতো লাইনে দাঁড়িয়ে প্রায় ৫০০ জন আমফানের ক্ষতিপূরণের টাকা ফিরিয়ে দিয়েছেন। ধাপে ধাপে আরও অনেকেই দেবেন। ইতিমধ্যে ৫ জন পঞ্চায়েত প্রধানকে দুর্নীতির অভিযোগে ছুটিতে যেতে বলা হয়েছে।”

একইসঙ্গে জানানো হয়েছে, ত্রাণের টাকার প্রয়োজন না পড়ায় যাঁরা টাকা ফেরত দিচ্ছেন, তাঁদের নামের তালিকা রাজ্য কমিটিকে দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি শিশির অধিকারী জানান, এই ব্যাপারে দল যা সিদ্ধান্ত নেবে তাই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হিসেবে মেনে নেওয়া হবে৷ শিশিরবাবু বলেন, “দলের নির্দেশিকা মেনেই আমরা কাজ করছি। লকডাউনের জেরে এখন নতুন কোনও কর্মসূচি নেই। তবে আমরা নতুন করে জেলা কমিটি গঠন করছি। জেলায় সংগঠন বাড়ছে।”

আমফানের ক্ষতিপূরণ নিতে, ক্ষতিপূরণ ফেরৎ দিতেই ভিড় পূর্ব মেদিনীপুরে 1