হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞায় থোড়াই কেয়ার! মণ্ডপের বাইরে থেকে রেস্তোরাঁ, করোনাকে উপেক্ষা করেই উৎসব মুখর কলকাতাবাসী

409
Advertisement

ওয়েব ডেস্ক : পুজোর দু’দিন আগে হাইকোর্টের রায়ের পর মনে করা হয়েছিল কলকাতার রাস্তায় প্রতিবারের তুলনায় এবার পুজোতে ভিড় হয়তো অনেকটাই কমবে৷ শহরের বেশকিছু রাস্তায় ভিড় কিছুটা কম থাকলেও শহরের রেস্টুরেন্টগুলিতে ভিড় চোখে পড়ার মতো। ফলে পুলিশের ভিড় সামলানোই দায় হয়েছে। এমনকি মণ্ডপের বাইরে ‘নো এন্ট্রি’ বোর্ড ঝোলানো থাকলেও কলকাতা শহরের বেশকিছু মণ্ডপের বাইরে প্রচুর সংখ্যক মানুষের ভিড় দেখে বোঝার উপায় নেই যে দু’দিন আগেই হাইকোর্ট পুজো মণ্ডপে দর্শনার্থীদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। তবে সকলের মুখে মাস্ক থাকলেও সোশ্যাল ডিস্টেন্সিংয়ের বিন্দুমাত্র বালাই নেই। রেস্তোরাঁ থেকে রাস্তার ধারের ফুচকা, চাউমিন, রোল এর দোকান সবেতেই উপচে পড়া ভিড়। যা দেখে স্বাভাবিকভাবেই বোঝার উপায় নেই যে এই মূহুর্তে গোটা রাজ্যে করোনা পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নিয়েছে।

Advertisement

এদিকে পাড়ার ক্লাবগুলি ভালো ভূমিকা পালন করেছে৷ প্রতিবছর সকলে মহাষ্টমীর অঞ্জলি দেওয়ার সুযোগ পেলেও করোনা আবহে এবছর সেই নিয়ম অনেকটাই বদলেছে। অনেক পুজো মণ্ডপেই শুধুমাত্র ক্লাব সদস্যদের জন্যই অঞ্জলির আয়োজন করা হয়েছিল। একইসাথে বাইরের দর্শনার্থীদের মণ্ডপে ঢোকা ছিল বারণ৷ তবে মফস্বলের বেশিরভাগ মণ্ডপে আবার মাস্ক, স্যানিটাইজারের ব্যবস্থা করে সোশ্যাল ডিস্টেন্সিং মেনে অষ্টমীর অঞ্জলির ব্যবস্থা করতেও দেখা গিয়েছে ৷

Advertisement
Advertisement

এদিকে এবছর কলকাতার বেশকিছু রাস্তায় ট্রাফিক অন্যান্যবারের তুলনায় বেশ স্বাভাবিক ছিল বলেই জানিয়েছেন লালবাজারের উচ্চপদস্থ কর্তারা। তবে অষ্টমীর পর নবমীতেও মানুষের বাইরে বেরোনোর প্রবণতা রয়েছে৷ এর জেরে স্বাভাবিকভাবেই উদ্বেগ থেকেই যাচ্ছে। ফলে হাইকোর্টের তরফে মণ্ডপে ঢোকার নিষেধাজ্ঞা জারি করা হলেও রাস্তায় কিংবা রেঁস্তোরায় হাইকোর্টের নির্দেশে কেউ তোয়াক্কা করেনি বলেই মনে করছে লালবাজার।