প্রয়াত আর্য সমাজের নেতা স্বামী অগ্নিবেশ

100

ওয়েব ডেস্ক : প্রয়াত জনপ্রিয় আর্য সমাজ নেতা স্বামী অগ্নিবেশ। বেশ কিছুদিন যাবৎ গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি। শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ছ’টা নাগাদ সেখানেই মৃত্যু হয় তাঁর। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮১ বছর। জানা গিয়েছে, বহুদিন যাবৎ তিনি লিভার সিরোসিসে ভুগছিলেন। এছাড়াও তার কিডনি সংক্রান্ত নানা সমস্যার কারণে আচমকা অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন স্বামী অগ্নিবেশ। এরপর সম্প্রতি দিল্লির ইনস্টিটিউট অফ লিভার অ্যান্ড বিলারি সায়েন্স হাসপাতালে তাকে ভর্তি করা হয়। এতদিন সেখানেই তাঁর চিকিৎসা চলছিল৷

আরও পড়ুন -  বেলদায় পুলিশ আধিকারিকের করোনা পজিটিভ, সিল করে দেওয়া গোটা ফাঁড়ি, ৪০ জন পুলিশ কর্মী কোয়ারেন্টাইনে

হাসপাতাল সূত্রে খবর, মঙ্গলবার থেকেই স্বামীজির শারীরিক অবস্থা ক্রমশ অবনতি হতে শুরু করে। সে সময় তাকে দ্রুত ভেন্টিলেশনে রাখা হয়। এরপর শুক্রবার দুপুরের পর থেকেই স্বামীজির শারীরিক অবস্থা ক্রমশ খারাপ হতে থাকে। চিকিৎসকদের তরফে তাকে বাঁচানোর চেষ্টা করা হলেও তার শরীরের একাধিক অঙ্গ ক্রমশ বিকল হতে শুরু করে। এরপর সন্ধ্যে সাড়ে ছ’টা নাগাদ হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে স্বামীজি পরলোক গমন করেন। তাঁর মৃত্যুর পর পরই হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের তরফে এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, “‌দেশের প্রিয় নেতার মৃত্যুতে আইএলবিএস শোক প্রকাশ করেছে।”

একদিকে আর্য সমাজের নেতা অন্যদিকে সমাজকর্মী হিসেবে পরিচিত ছিলেন স্বামী অগ্নিবেশ। তার কর্মজীবনের শুরু কলকাতার সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজে। ওই কলেজে তিনি লেকচারার হিসাবে নিযুক্ত ছিলেন। এরপর পরবর্তীকালে তিনি দেশের প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি সব্যসাচী মুখোপাধ্যায়ের অধীনে আইন চর্চা করেন। এমনকি পরবর্তীকালে তিনি লাগাতার আইনের অভ্যাসও শুরু করেছিলেন। তিমি ২০০৪ সালে প্রথম আর্য সমাজের সভাপতির দায়িত্ব পেয়েছিলেন। এরপর টানা ১০ বছর সেই পদ দায়িত্বের সাথে পালন করেন। তিনি বেশ কিছু সামাজিক আন্দোলনের সাথেও জড়িত ছিলেন। তিনি সমাজে নারীদের নিয়ে একাধিক কাজ করেছেন। এমনকি কন্যা ভ্রুণ হত্যার বিরুদ্ধেও তিনি সরব হয়েছিলেন।

প্রয়াত আর্য সমাজের নেতা স্বামী অগ্নিবেশ 1