নিম তেল ব্যবহারে কিছু ভুল, যা খেয়াল রাখা অত্যন্ত প্রয়োজন

265
Advertisement

নিউজ ডেস্ক: নিমের অসাধারণ ঔষধি গুণ আমাদের সকলেরই কম-বেশি জানা। সেই অনুযায়ী নিমের তেলও কিন্তু সমান ভাবে ঔষধি গুণ সম্পন্ন। এই তেল ত্বক ও চুলের উপকারী। তবে এই প্রাকৃতিক উপাদান ব্যবহারে সতর্ক থাকা প্রয়োজন। জেনে নিন কী কী সেইসব বিষয়-

Advertisement

যদি প্রথমবার নিমের তেল ব্যবহার করেন, তাহলে আগে অল্প পরিমাণে ব্যবহার করে দেখুন। মাথায় ব্যবহারের সময় খেয়াল রাখতে হবে যেন মুখের সংস্পর্শে না আসে। যদি এতে লালচেভাব সৃষ্টি হয় তাহলে পরে ব্যবহারের ক্ষেত্রে আরও সতর্ক হতে হবে অথবা ব্যবহার সম্পূর্ণ বাদ দিতে হবে।

Advertisement
Advertisement

নিমের তেল অনেক বেশি শক্তিশালী। তাই এটা সব সময় কোন না কোন বাহক তেল যেমন- নারকেল বা জোজোবা তেলের সাহায্যে ব্যবহার করা উচিৎ।

শরীর বা মাথার ত্বকে বড় অংশ জুড়ে নিমের তেল ব্যবহারের ক্ষেত্রে তা নারকেল, জোজোবা অথবা ল্যাভেন্ডার তেলের সঙ্গে মিশিয়ে ব্যবহার করুন। এতে কার্যকারিতা ও গন্ধ দুইটাই খানিকটা কমবে। নিয়মিত শ্যাম্পুর সঙ্গে দুএক ফোঁটা নিম তেল মিশিয়েও ব্যবহার করতে পারেন।

নিমের তেল খাওয়ার উপযুক্ত নয়। তাই কখনই নিমের তেল খাবার হিসেবে ব্যবহার করার চেষ্টা করবেন না যেন।

নিম প্রাচীনকাল থেকেই গর্ভনিরোধক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। তাই কেউ গর্ভাবস্থায় বা সন্তান নিতে ইচ্ছুক হলে নিমের তেল এড়িয়ে চলাই ভালো। এটা উর্বরতা কমায় ও গর্ভপাতের ঝুঁকি বাড়ায়।

যাদের বিভিন্ন রকম ত্বকের জড়তা-বিষয়ক, রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা সম্পর্কিত ও বাত জ্বরের সমস্যা আছে, তাদের নিম তেল ব্যবহার না করার পরামর্শ দেওয়া হয়।

ডায়াবেটিসে আক্রান্ত রোগীদের রক্তের শর্করার মাত্রার দিকে সচেতন থাকা উচিৎ এবং এই সময় নিমের তেল ব্যবহারেও সতর্কতা অবলম্বন করা উচিৎ। এই তেল ব্যবহারের সময় ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে ওষুধের মাত্রা ঠিক করিয়ে নেওয়া জরুরি।

এই তেল ব্যবহারের পর যদি ত্বকে যদি কোন রকম দানা, অ্যালার্জি, শ্বাসকষ্ট ইত্যাদি দেখা দেয় তাহলে দ্রুতই ডাক্তারের পরামর্শ নিন।

নিমের তেল অন্যান্য ওষুধের কার্যকারিতা কমায়। তাই এক্ষেত্রে সতর্ক থাকা প্রয়োজন।