এবার মাত্র ১ টাকাতেই মিলবে কলেজে ভর্তির সুযোগ, খুশি ছাত্রছাত্রীরা

226
এবার মাত্র ১ টাকাতেই মিলবে কলেজে ভর্তির সুযোগ, খুশি ছাত্রছাত্রীরা 1

ওয়েব ডেস্ক : রাজ্যে করোনা পরিস্থিতি যেভাবে দিন দিন বাড়ছে তাতে এই মূহুর্তে বহু মানুষের আর্থিক অবস্থা তলানিতে ঠেকেছে৷ এই পরিস্থিতিতে অর্থের অভাবে অনেকেই হয়তো কলেজে ভর্তি হতে পারবে না। সেকথা মাথায় রেখে এক নজিরবিহীন সিদ্ধান্ত নিল নৈহাটির ঋষি বঙ্কিম কলেজ। এবছর ছাত্র–ছাত্রীদের জন্য মাত্র ১ টাকা অ্যাডমিশন ফি ধার্য করল কলেজ কর্তৃপক্ষ। এই পরিস্থিতিতে বেশিরভাগ মানুষের হাতেই পর্যাপ্ত পরিমাণ অর্থের অভাব, কাজকর্ম প্রায় নেই বললেই চলে, সেসময় অর্থের অভাবে ছাত্র–ছাত্রীদের পড়াশোনা যাতে কোনওভাবেই বন্ধ না হয়, সে কথা মাথায় রেখেই কলেজ কর্তৃপক্ষের তরফে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।

আরও পড়ুন -  আমি নিজেই করোনাযোদ্ধা, নিজেকেই করোনা যোদ্ধা উপাধি দিলেন মুখ্যমন্ত্রী

এবিসি ঋষি বঙ্কিমচন্দ্রের গভর্নিং বডির সভাপতি অমল চক্রবর্তী এই প্রসঙ্গে বলেছেন, ‘‌‘‌বিষয়টি নিয়ে দীর্ঘ আলাপ আলোচনার পর কলেজ কর্তৃপক্ষকে মেইল মারফত ফি মকুবের অনুরোধ জানাই। সেই অনুরোধ মেনে এক টাকা করে পড়ুয়া প্রতি অ্যাডমিশন ফি ধার্য করা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত ছাত্র–ছাত্রীদের প্রভূত উপকার করবে। কাউকে অর্থের কারণে পড়াশোনা বন্ধ করতে হবেনা।’‌’‌ এবিষয়ে কলেজ কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অ্যাডমিশন বাবদ যে পরিমাণ অর্থ আসার কথা ছিল, করোনা পরিস্থিতিতে এবছর তা স্বাভাবিকভাবেই আসবেনা। ফলে এবছর সেই ফাঁক পূরণ করবে কলেজের রিজার্ভ ফান্ড। জমানো অর্থ দিয়েই এবছর আর্থিক বিষয়টি সামলানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে করলে কর্তৃপক্ষ।

এবার মাত্র ১ টাকাতেই মিলবে কলেজে ভর্তির সুযোগ, খুশি ছাত্রছাত্রীরা 2

কলেজ কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয়েছে, গতবছর কলেজে ভর্তির সর্বনিম্ন ফি ছিল ৩৩৩৫ টাকা এবং সর্বোচ্চ ফি ছিল ১১ হাজার ৩৩০ টাকা। এই অ্যাডমিশন ফি ঠিক হয় পড়ুয়াদের বিষয় নির্বাচনের ওপর ভিত্তি করে। তবে এবছর সবক্ষেত্রেই নেওয়া হবে ১ টাকা ফি৷ জানা গিয়েছে ফর্মের জন্য নেওয়া হবে ৬০ টাকা এবং ১ টাকা অ্যাডমিশন ফি দিয়েই ভর্তি হতে পারবেন ছাত্রছাত্রীরা। কলেজ কর্তৃপক্ষের এই সিদ্ধান্তে স্বাভাবিকভাবেই খুশি পড়ুয়ারা। একইসাথে নৈহাটি ঋষি বঙ্কিমচন্দ্র কলেজের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে শিক্ষামহলও। করোনার পরিস্থিতিতে কলেজ কর্তৃপক্ষের এই সিদ্ধান্তকে কুর্নিশ জানিয়েছে অধিকাংশ শিক্ষাবিদ।