শনি এবার অনুব্রতের গড়ে, পদত্যাগ প্রবীন নেতার! বিজেপিতেই যাওয়ার ইঙ্গিত

638
শনি এবার অনুব্রতের গড়ে, পদত্যাগ প্রবীন নেতার! বিজেপিতেই যাওয়ার ইঙ্গিত 1

নিজস্ব সংবাদদাতা: শনি পিছু ছাড়ছেনা তৃণমূলের। এবার শনি লাগল অনুব্র‍ত মন্ডলের গড়ে। বীরভূমের প্রবীণ নেতা কাজল সাহা পদত্যাগ করলেন পঞ্চায়েত সমিতির পূর্ত কর্মাধ্যক্ষের পদ থেকে। শুধু তাই নয় বিজেপিতে তাঁর যোগদান পাকা বলেও জানা গেছে। তৃণমূলের বিধায়ক তথা বীরভূমের ময়ূরেশ্বর ১ নম্বর ব্লকের সভাপতি অভিজিৎ রায়ের বিরুদ্ধে স্বৈরাচারী মনোভাবের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়েই তিনি পদত্যাগ করেছেন বলে জানা গেছে।

শুধু তাই নয় দলের মধ্যে যথেষ্ট প্রভাবশালী এই প্রবীণ নেতা নিজস্ব অনুগামীদের নিয়ে আগামী কয়েকদিনের মধ্যেই বিজেপিতে যুক্ত হতে চলেছেন বলেই জানা গেছে। শুভেন্দু অধিকারীর পর বনমন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়, আসানসোলের জিতেন্দ্র তিওয়ারির পর সোমবার ফের রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে শাসকদলের মধ্যেই ফের অশান্তির ছায়া ঘনালো। মূখ্যমন্ত্রী বর্তমানে উত্তরবঙ্গ সফরে, তারই মধ্যে একের পর এই ঘটনায় বিড়ম্বনায় তৃনমূল কংগ্রেস। কারন বীরভূমের শক্ত মাটিতে এই ধারণার কথা চিন্তাই করতে পারেনি তৃনমূলরা।

শনি এবার অনুব্রতের গড়ে, পদত্যাগ প্রবীন নেতার! বিজেপিতেই যাওয়ার ইঙ্গিত 2

১৯৯৮ সাল থেকেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বীরভূমে যাঁদের হাত ধরে পথ চলা শুরু করেছিলেন তাঁর অন্যতম হলেন কাজল সাহা। ওই বছরই পঞ্চায়েত সমিতির নির্বাচনে জয়ী হন তিনি। এরপর ২০০৮-এ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি হন। তারপর ২০১৩ থেকে এখনও পর্যন্ত পঞ্চায়েত সমিতির পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ ছিলেন তিনি।

তবে বেশ কিছুদিন ধরেই দলের সঙ্গে দূরত্ব বাড়ছিল কাজল সাহার! এমনটাই বলছেন ঘনিষ্ঠরা। এরপরই এদিন দলীয় বিধায়ক, ব্লক সভাপতি অভিজিৎ রায়ের বিরুদ্ধে ক্ষোভপ্রকাশ করে পূর্ত কর্মাধ্যক্ষের পদ থেকে পদত্যাগ করেন তিনি। পদত্যাগ পত্র জমা দেন পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি ও বিডিওর কাছে। কাজলবাবু বলেন, “এখানে নামেই পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ। কিন্তু কোনও কাজ করতে দেওয়া হয় না। অভিজিৎবাবুই শেষ কথা। তাই দেখলাম শুধু শুধু পদ আঁকড়ে ধরে রেখে লাভ নেই। পদত্যাগ করলাম। তবে এখনো দলীয় পদ থেকে পদত্যাগ করিনি।”

কাজল সাহার এই দাবি কতটা সঠিক তা বোঝার জন্য কয়েকটা অপেক্ষা করতে হবে কারন একটি সূত্রে জানা গিয়েছে তাঁর বিজেপিতে যোগদানের প্রক্রিয়া প্রায় সম্পুর্ন হয়ে রয়েছে। আগামী ২০ ডিসেম্বর অমিত শাহর শান্তিনিকেতন সফরের কথা রয়েছে। ওইদিনই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর হাত ধরেই বিজেপিতে যোগ দিতে পারেন তিনি।