Homeএখন খবরবাড়ি থেকে ডেকে খুন তৃনমূল নেতাকে, দলীয় কোন্দলেই খুন দাবি পরিবারের

বাড়ি থেকে ডেকে খুন তৃনমূল নেতাকে, দলীয় কোন্দলেই খুন দাবি পরিবারের

নিজস্ব সংবাদদাতা: বাড়ি থেকে ফোন করে ডেকে নিয়ে পয়েন্ট ব্ল্যাংক রেঞ্জ থেকে গুলি করে খুন করা হল হাওড়ার বাগনানের  তৃণমূলের প্রাক্তন অঞ্চল সভাপতিকে। শেখ আসাদুল রহমান নামের  এলাকার তৃণমূল নেতার খুনের পেছনে দলের অন্তর্দ্বন্দ্বই কারন বলে দাবি করেছেন তাঁর পরিবার। বুধবার সকালে তাঁর গুলিবিদ্ধ দেহ উদ্ধারের পরেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এলাকা।  সকাল থেকেই এলাকায়  ছড়িয়েছে উত্তেজনা। প্রচুর পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়ানোর জন্য।

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
জানা গেছে আমতা বিধানসভা কেন্দ্রের বাগনানের বাইনান অঞ্চলে তৃণমূলের প্রাক্তন অঞ্চল সভাপতি ছিলেন শেখ আসাদুল রহমান। সভাপতির পদ থেকে সরে যাওয়ার পর এলাকায় সক্রিয় নেতা হিসেবে পরিচিত ছিলেন। পরিবার সূত্রে খবর, মঙ্গলবার ভোরে আসাদুলকে ফোন করে কেউ বা কারা ডেকে পাঠায়। তারপর সাইকেল নিয়ে তিনি খাজুরডি দক্ষিণপাড়া এলাকায় নিজের বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান। পুলিশ সূত্রে খবর, সাইকেলে যাওয়ার সময়েই আসাদুলকে দুষ্কৃতীরা ঘিরে ধরে পয়েন্ট ব্ল্যাংক রেঞ্জ থেকে গুলি করে। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় তাঁর। আজ সকালে কড়িয়ার বড়পোল এলাকার রাস্তার ধার থেকে উদ্ধার হয় রক্তাক্ত দেহ।

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
আসাাদুলের খুনের খবর ছড়িয়ে পড়তেই এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। দোষীদের খুঁজে বের করে দ্রুত গ্রেপ্তারির দাবিতে চার ঘণ্টা  ধরে মৃতদেহ আটকে রেখে পথ অবরোধ করা হয়। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আশিস মৌর্য ঘটনাস্থলে গিয়ে অবরোধ তুলে দেন। তদন্তে নেমে পুলিশ প্রথমে আসাদুলের মোবাইলের কললিস্ট পরীক্ষা করে। তার ভিত্তিতে দুষ্কৃতীদের খোঁজ চলছে।

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
রাজনৈতিক শত্রুতার জেরে খুন নাকি অন্য কোনও কারণ, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রাথমিক ভাবে তৃণমূলের সন্দেহ এলাকাবাসী এলাকায় বিজেপির বাড়বাড়ন্ত। তৃণমূল নেতা,কর্মীদের মূল রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে উঠেছে গেরুয়া শিবিরের সদস্যরা। সেই জায়গা থেকেই এই খুন। কিন্তু  আসাদুলের ভাই জাহিদুলের পরিষ্কার দাবি, দলীয় গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের শিকার হয়েছেন আসাদুল।

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
এর আগে শান্তিপুরে এক তৃণমূল কর্মীর খুনের ঘটনার নেপথ্যে গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের তত্ব প্রকাশ্যে এসেছিল। যদিও স্থানীয় বিধায়ক এবং সভাপতি সেই তত্ব খারিজ করে দিয়েছিলেন। সেই হত্যাকাণ্ডে এখনও তদন্ত চলছে। আসাদুলের ক্ষেত্রে খুনের কারণ কী, তাও সঠিক তদন্তেই প্রকাশ্যে আসবে। আমতা বিধানসভা কেন্দ্রের সভাপতি সেলিমুল আলম ও আমতা ২ নম্বর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি সুকান্ত পাল বলেন , আমরা কিছুই বলছিনা।  পুলিশই ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত করলে আসল তথ্য উঠে আসবে।

RELATED ARTICLES

Most Popular