করোনা পরীক্ষায় ভুয়ো ঠিকানার প্রবণতা রুখতে আধার কিংবা ভোটার কার্ড বাধ্যতামূলক করল পুরসভা

323
Advertisement

ওয়েব ডেস্ক : বর্তমানে সরকারি হাসপাতালের পাশাপাশি বেসরকারি ল্যাব গুলিতেও চলছে করোনা পরীক্ষার কাজ। কিন্তু বেশীরভাগ ক্ষেত্রেই দেখা যাচ্ছে বেসরকারি পরীক্ষাকেন্দ্রগুলিতে ভুয়ো ঠিকানা জানিয়ে করোনা পরীক্ষা করাচ্ছেন রোগীরা৷ ফলে সেক্ষাত্রে করোনা সংক্রমিত ব্যক্তিকে খুঁজে বের করতে হিমশিম খাচ্ছেন পুরসভা৷ সে কারণে এবার করোনা পরীক্ষা করাতে হলে আধার কিংবা ভোটার কার্ড বাধ্যতামূলক করা হল। তবে ইতিমধ্যেই সরকারি পরীক্ষাকেন্দ্রগুলিতে এই ব্যবস্থা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এবার বেসরকারি পরীক্ষাকেন্দ্রগুলিতেও খুব শীঘ্রই এটি বাধ্যতামূলক করা হবে বলেই জানিয়েছেন পুরসভার পরিচালন বোর্ডের অন্যতম সদস্য দেবব্রত মজুমদার।

Advertisement

এবিষয়ে মঙ্গলবার কলকাতা পুরসভার পরিচালন বোর্ডের অন্যতম সদস্য দেবব্রত মজুমদার জানিয়েছেন, কলকাতা শহরে বহু মানুষ বেসরকারি পরীক্ষাকেন্দ্রগুলি থেকে করোনা পরীক্ষা করাচ্ছেন। কিন্তু বহুক্ষেত্রেই দেখা যাচ্ছে ভুয়ো ঠিকানা দাখিল করছেন। এর জেরে অনেকক্ষেত্রে কোনও ব্যক্তির রিপোর্ট পজিটিভ এলে সেই ব্যক্তির দেওয়া ঠিকানা অনুযায়ী সেখানে স্বাস্থ্যকর্মীরা গেলে রোগীর দেখা মিলছে না। আবার অনেক সময় তাকে খুঁজতে সময় বেশী লাগছে, এর মধ্যে রোগী এলাকায় ঘুরে বেড়িয়ে সংক্রমণ ছড়াচ্ছেন। এইধরণের একাধিক ঘটনার জেরে এবার কলকাতায় করোনা পরীক্ষায় আধার বা ভোটার কার্ড দেখানো বাধ্যতামূলক করেছে পুরসভা।

Advertisement
Advertisement

এবিষয়ে দেবব্রত মজুমদার বলেন, “কলকাতার সরকারি পরীক্ষাকেন্দ্রগুলির পজিটিভ রিপোর্টের তালিকা সেদিনই পুরসভার হাতে আসছে। কিন্তু বেসরকারি পরীক্ষাকেন্দ্রগুলির ক্ষেত্রে তালিকায় পাঠানোয় ঢিলেমি দেখা যাচ্ছে। প্রায় ৩ দিন পর বেসরকারি পরীক্ষাকেন্দ্র থেকে তালিকা আসছে পুরসভার হাতে। যার ফলে আক্রান্তদের গতিবিধি নিয়ন্ত্রণে দেরি হচ্ছে। দেরি হচ্ছে তাঁর বাসস্থান জীবাণুমুক্তকরণে। যার ফলে সংক্রমণ বাড়ছে।” পাশাপাশি দেবব্রতবাবু আশাবাদী, যে করোনা পরীক্ষায় আধার কিংবা ভোটার কার্ড বাধ্যতামূলক করা হলে ভুয়ো ঠিকানা দেওয়া বন্ধ হবে। এর জেরে খুব সহজেই রোগীদের সনাক্ত করা সম্ভব হবে। ফলে কমবে সংক্রমণের প্রবণতা।