ফাস্টট্যাগে দুর্ভোগ জাতীয় সড়কে, তুলকালাম ডেবরা টোল প্লাজা

147
ফাস্টট্যাগে দুর্ভোগ জাতীয় সড়কে, তুলকালাম ডেবরা টোল প্লাজা 1
ফাস্টট্যাগে দুর্ভোগ জাতীয় সড়কে, তুলকালাম ডেবরা টোল প্লাজা 2
চলছে বচসা 

নিজস্ব সংবাদদাতা: জাতীয় সড়কে যান চলাচল আরও গতিময় ও যানজট মুক্ত করার জন্য ১৬ জানুয়ারি থেকে শুরু হয়েছে ফাস্টট্যাগ পরিষেবা। সরাসরি টাকা আদায়ের পরিবর্তে অনলাইন ক্যাশলেশ লেনদেন ব্যবস্থা। গাড়িতে আগে থেকে লাগানো একটি বিশেষ স্টিকার যন্ত্র পড়ে নেবে আর মালিকের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে আপনা আপনি কেটে নেওয়া হবে টাকা। ফলে লেনদেনের জন্য অযথা গাড়ি গুলিকে টোলপ্লাজায় দাঁড়াতে হবেনা, দীর্ঘ লাইনের পরিবর্তে দ্রুতগামী হবে যান চলাচল।

ফাস্টট্যাগে দুর্ভোগ জাতীয় সড়কে, তুলকালাম ডেবরা টোল প্লাজা 3

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
যদিও ঘটনা হয়েছে উল্টো, টোলপ্লাজা গুলির অব্যবস্থা আর অনভিজ্ঞতায় ঘন্টার পর ঘন্টা দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে জাতীয় সড়কের লরি, বাস, প্রাইভেট কারকে। আর এই দীর্ঘসূত্রতার মাশুল দিচ্ছেন যাত্রীরা। শনিবার এই নিয়ে তুলকালাম হয়ে গেল ডেবরা টোল প্লাজায়। বাসের চালক আর যাত্রীদের সঙ্গে তীব্র বচসায় জড়িয়ে পড়লেন প্লাজার কর্মী ও আধিকারিকরা। যাত্রীর সঙ্গে অত্যন্ত দুর্ব্যবহারের আভিযোগ উঠল কর্মী ও আধিকারিকদের বিরুদ্ধে।

ফাস্টট্যাগে দুর্ভোগ জাতীয় সড়কে, তুলকালাম ডেবরা টোল প্লাজা 4
এভাবেই আঙুল তুলছেন কর্মীরা 

আভিযোগ ফাস্টট্যাগ চালু করায় নগদ লেনদেন বন্ধ করা হয়েছে অথচ অনভিজ্ঞতার কারনে এক একটা গাড়ি ছাড়তে লেগে যাচ্ছে অনেকটা সময়। আর তাতেই সমস্যা হচ্ছে ,  ঝামেলা বাড়ছে।

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
শনিবার হলদিয়াগামী একটি সুপারফাস্ট বাস যাতে অফিস আদালতে যাওয়া বেশিরভাগ মানুষ যাতায়ত করেন, কর্মক্ষেত্রে পৌঁছাতে হয় নির্দিষ্ট সময়ে। টোলের কর্মচারীর অজ্ঞতার কারণে জুটছে দুর্ভোগ। সামনে পেছনে গাড়ি এসে লাইনে দাঁড়িয়ে পারছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে পারছে না কম্পিউটার অপারেটার। যাত্রীরা তাড়াতাড়ি করতে বললে টোল কর্মচারীরা মেজাজ দেখাতে শুরু করলে যাত্রীরা প্রতিবাদ করেন। এগিয়ে আসেন অন্য গাড়ির লোকেরাও। কিছু কিছু কর্মচারী অসভ্য আচরণ করেন যাত্রীদের সঙ্গে।

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
এমনিতেই এই টোলপ্লাজার অব্যবস্থাপনা নিয়ে অনেকেরই আপত্তি বহুদিনের। বিশেষকরে কম্পউটার অপারেটরা সঠিক ভাবে কাজ করতেই পারে না। দু’ফেরের টিকিট কাটা স্বত্তেও পুনরায় দেখাতে হয় টিকিট। যা মেশিনে দেখে ছেড়ে দেওয়ার কথা। যাত্রী থেকে গাড়ি চালক সকলের আপত্তি এই অপারেটর জনদের নিয়ে। উন্নত পরিষেবা চালু করার আগে উন্নত প্রশিক্ষন দিয়ে এদের নিয়োগ করা উচিৎ। প্রায় ঘন্টা খানেক এই পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। 

Previous articleঅব্যহত কুয়াশার দাপট, লরির ধাক্কায় প্রাণ গেল গড়বেতার ব্যাবসায়ীর
Next articleনন্দীগ্রামে দিলীপ ঘোষকে আটকাতে নজিরবিহীন তৎপরতা পুলিশের, আটকে দেওয়া হল রেয়াপাড়াতে