সাফাই কর্মীদের কর্মবিরতি, আবর্জনাময় শিলিগুড়ি! ঝাড়ু হাতে পথে নামলেন ব্যবসায়ীরাই

257
Advertisement

নিউজ ডেস্ক: বিভিন্ন দাবি নিয়ে লাগাতার সাফাইকর্মীদের কর্মবিরতিতে আবর্জনাময় হয়ে উঠছে শিলিগুড়ি পৌর এলাকার বাজারগুলি। দমবন্ধ অবস্থা থেকে মুক্তি পেতে ঝাড়ু হাতে রাস্তায় নামতে বাধ্য হলেন ব্যবসায়ীরা।শেঠ শ্রীলাল মার্কেট পরিস্কার রাখতে দেখা গেল শেঠ শ্রীলাল মার্কেট ব্যাবসায়ী সমিতির সদস্যদের।

Advertisement

শেঠ শ্রীলাল মার্কেট ব্যাবসায়ী সমিতির তরফে খোকন ভট্টাচার্য ব্যাবসায়ীদের কাছে অনুরোধ করেন যতদিন না সাফাইকর্মীরা কাজে ফিরছেন ততদিন যাতে নোংরা আবর্জনা রাস্তায় না ফেলে একটি নির্দিষ্ট স্থানে রাখা হয়। ব্যাবসায়ীরা যাতে নিজেরাই দোকানের সামনে রাস্তা পরিস্কার রাখেন এই আর্জি জানান খোকনবাবু।

Advertisement
Advertisement

শেঠ শ্রীলাল মার্কেট টেইলারিং ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের তরফে সাগর কবির জানান,সাফাইকর্মীরা আন্দোলন করছেন ন্যায়ের দাবীতে। তবে আন্দোলন হিংসার রূপ নিচ্ছে ক্রমাগত।বাইরে থেকে নোংরা এনে রাস্তায় ফেলে শহরকে দূষিত করা কোনো যুক্তিগ্রাহ্য কাজ নয় বলে তিনি বলেন। এদিকে, বৃহস্পতিবার দুদিনে পড়ল শিলিগুড়ি পুরনিগমের সাফাইকর্মীদের আন্দোলন।রাস্তায় আবর্জনা ছড়িয়ে ছিটিয়ে দিয়ে তাদের যে আন্দোলন চলছে।তাতে জেরবার শহরবাসী।বাড়ছে দূষণের আশঙ্কা।

এদিন সকাল থেকে সাফাইকর্মীদের আন্দোলনের জেরে দুর্ভোগের শিকার শিলিগুড়িবাসী। বেতন বৃদ্ধি, স্থায়ীকরণের দাবি সহ ১০ দফা দাবিতে বুধবার থেকে কর্মবিরতি পালন করছে পুরনিগম এলাকার সাফাই কর্মচারীরা। বৃহস্পতিবার সকালে দাবি-দাওয়া নিয়ে বাঘাযতীন পার্কের সামনে থেকে মিছিল শুরু হয়। কিন্তু সেই মিছিল থেকে শহরজুড়ে আবর্জনা চারিদিকে ছড়িয়ে ফেলা হয়।

যার জেরে সমস্যায় পড়েছে সাধারণ মানুষ। রাস্তায় ভ্যাট উলটে দিয়ে সেখান থেকে আবর্জনা নিয়ে গিয়ে রাস্তায় ফেলে দেওয়া হয়েছে। আন্দোলনকারীদের দাবি বহুবছর ধরে সাফাইয়ের কাজ করছেন তারা। কোনও সুযোগ সুবিধা পাচ্ছেন না। প্রশাসনকে জানিয়েও কোনো লাভ হয়নি বলে তাদের অভিযোগ। বাধ্য হয়ে আন্দোলনে নেমেছেন তারা। এদিকে কর্মবিরতির জেরে শহরজুড়ে আবর্জনা পরিষ্কারের কাজ বন্ধ রয়েছে।আবর্জনার স্তূপ লক্ষ্য করা যাচ্ছে শহরের বিভিন্ন প্রান্তে।শহরবাসীদের বাড়ছে জমে থাকা ময়লা আবর্জনা।অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ তৈরী হয়েছে এককথায়।

এদিন কোর্টমোড়, হিলকার্ট রোড সহ বিভিন্ন দোকান বাড়ির সামনে আবর্জনা ফেলে দেন সাফাইকর্মীরা। এমনকি দোকানগুলিতে রাখা ডাস্টবিন থেকে আবর্জনা রাস্তায় ফেলে দেওয়া হয়।