আমফানের ত্রানের ত্রিপলের ছাউনিতেই ২১শের সভা শুনলো তৃণমূল কর্মীরা! বিতর্কের ঝড় রাজনৈতিক মহলে

50

ওয়েব ডেস্ক : আমফান পরবর্তীতে মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণা করা ত্রাণ না পাওয়া গর্জে উঠেছিল ক্ষতিগ্রস্তরা। এদিকে মঙ্গলবার দেখা গেল দলীয়নেত্রীর বক্তৃতা শুনতে বাগুইআটিতে ত্রাণের ত্রিপল টাঙিয়ে বসেছে তৃণমূলের নেতা-কর্মীরা। ত্রিপলের গায়ে রয়েছে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের স্টিকার। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই শাসকদলের নিন্দার সরব হয়েছে গোটা রাজ্য। আমফান পরবর্তীতে মুখ চিনে ত্রিপল দেওয়া নিয়েও অভিযোগ উঠেছিল শাসক দলের বিরুদ্ধে৷ অনেক্ষেত্রে আবার দেখা গিয়েছে তৃণমূল ঘনিষ্ঠ একই পরিবারের ৫ জন ত্রিপল পেয়েছে কিন্তু যাদের প্রকৃত প্রয়োজন তারাই কোনোরকম সরকারি সাহায্য পান নি। এই নিয়ে বিক্ষোভ ও দেখিয়েছিলেন অনেকে। তবে আদতে লাভ হয়নি। তবে মঙ্গলবারের ঘটনায় আরও একবার বুঝিয়ে দিল যে সরকারি ত্রাণে সাধারণ মানুষ উপকৃত হননি বরং তা গিয়েছে তৃণমূল নেতা কর্মীদের পকেটে। যদিও বিষয়টি বিরোধীদের চক্রান্ত বলেই দাবি শাসকদলের একাংশের।

আরও পড়ুন -  খড়গপুর মেদিনীপুরের কন্টেনমেন্ট জোন প্রত্যাহাররের দিনই জেলায় ফের করোনা পজিটিভ, কলকাতা সূত্র সহ আক্রান্ত ২

করোনা আবহে এবছর ধর্মতলায় একুশে জুলাইয়ের জনসমাবেশ বাতিল করে তৃণমূল। ফলে অনলাইনের মাধ্যমে এবছর একুশে জুলাইয়ে ভারচুয়ালি বক্তব্য রাখবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, সে কথাও আগেই ঘোষণা করা হয়েছিল। সেই অনুযায়ী প্রস্তুতি নিয়েছিল রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে কোথাও ত্রিপল টাঙিয়ে, কোথাও আবার মঞ্চ করে জায়েন্ট স্ক্রিনের মাধ্যমে সেজে উঠেছিল। এক জায়গায় বসে অনেকে মিলে যাতে দলনেত্রীর বক্তব্য শুনতে পারেন সে ব্যবস্থাও করা হয়েছিল। একইরকম আয়োজন করা হয়েছিল বিধাননগর পুরনিগমের ১১ ওয়ার্ডেও। সেখানে আবার অস্থায়ীভাবে মঞ্চ তৈরি করে তা ত্রিপল দিয়ে ঘিরে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সেখানেই বিপত্তি! ত্রিপলের গায়ে জ্বলজ্বল করছে একটি স্টিকার। তাতে লেখা “পশ্চিম বঙ্গ সরকার, দুর্গত মানুষদের পাশে।” ত্রিপলে রাজ্য সরকারের স্টিকার নিয়ে শুরু হয় বিতর্ক।

এদিকে এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই কংগ্রেসের প্রদেশ স্তরের নেতা সোমেশ্বর বাগুই বলেন, ” ত্রিপল নিয়ে দুর্নীতি হচ্ছে এ খবর আমাদের কাছে আগেই ছিল। আমফানের ত্রিপল বিলি নিয়ে আমরা হিসাব প্রকাশ করার দাবি জানিয়ে বিধাননগরে মেয়রের কাছে স্মারকলিপিও দিয়েছিলাম। এই ঘটনা বুঝিয়ে দিল ত্রিপল বিলি নিয়ে দুর্নীতি হয়েছে।” যদিও এই গোটা ঘটনাটি নাকি বিরোধীদের চক্রান্ত, এমনটাই দাবি করেন বাগুইআটি কাউন্সিলর ও শাসকদলের অন্যান্য নেতা-কর্মীরা। তাঁদের দাবি, বিরোধীরাই চক্রান্ত করে ত্রিপলে সরকারি স্ট্যাম্প লাগিয়ে দিয়েছে।

আমফানের ত্রানের ত্রিপলের ছাউনিতেই ২১শের সভা শুনলো তৃণমূল কর্মীরা! বিতর্কের ঝড় রাজনৈতিক মহলে 1