মণীশ শুক্ল খুনে বাংলাদেশ থেকে শ্যুটার আনিয়েছিল তৃণমূল, দাবি কৈলাস বিজয়বর্গীয়-র

116
মণীশ শুক্ল খুনে বাংলাদেশ থেকে শ্যুটার আনিয়েছিল তৃণমূল, দাবি কৈলাস বিজয়বর্গীয়-র 1

ওয়েব ডেস্ক : মণীশ শুক্ল খুনের পর থেকে শাসকদলকেই কাঠগড়ায় তুলেছেন গেরুয়া শিবির। ইতিমধ্যেই মণীশ হত্যার ঘটনা তদন্ত করছেন CID। সে অনুযায়ী ডাকা হচ্ছে একেরপর এক সন্দেহভাজনদের। বৃহস্পতিবারই জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ব্যারাকপুর-টিটাগড়ের দুই প্রশাসককে সমন পাঠিয়েছে রাজ্য গোয়েন্দা বিভাগ। এদিকে এদিনই এক নামী সংবাদমাধ্যমের সাক্ষাৎকারে কৈলাস বিজয়বর্গীয় দাবি করেন, বিজেপি নেতা মণীশ শুক্লকে খুনের উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ থেকে শার্প শ্যুটারদের আনিয়েছিল তৃণমূল। বৃহস্পতিবার একটি সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন বাংলাদেশ থেকে শার্প শ্যুটারদের এনেছিল তৃণমূল।

আরও পড়ুন -  পোষ্টার উন্মোচনের পাশাপাশি রিলিজ হলো দেবনাথ মাইতির শর্টফিল্ম "অব্যক্ত"

এদিকে মণীশ খুনের পর থেকেই সিবিআই তদন্তের দাবি করে চলেছে গেরুয়া শিবির। বৃহস্পতিবারও ফের সিবিআই তদন্ত দাবি করেন কৈলাস বিজয়বর্গীয়। একই সাথে এদিন তাঁর দাবি, বাংলাদেশে চোরাচালানের সঙ্গে জড়িত থাকায় সেদেশের দুষ্কৃতীদের সঙ্গে ভাল পরিচয় রয়েছে তৃণমূলের নেতাদের। মণীশ শুক্লকে খুনের জন্য সেখান থেকেই দুষ্কৃতীদের পশ্চিমবঙ্গে ঢোকানো হয়েছে। তিনি আরও বলেন, এতদিন রাজনৈতিক নেতাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ উঠত। কিন্তু এখন পশ্চিমবঙ্গের আমলাদের বিরুদ্ধেও দুর্নীতির অভিযোগ উঠছে। যা নিয়ে উদ্বেগে রয়েছে রাজনৈতিক মহল।

এদিন কৈলাস বিজয়বর্গীয় সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে বলেন, “পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির নেতাকর্মীরা এক অভূতপূর্ব পরিস্থিতির মধ্যে কাজ করছেন। সেখানে বিজেপি নেতাদের খুন করতে বাংলাদেশ থেকে শ্যুটারদের ডাকা হচ্ছে। বিজেপি নেতাকর্মীদের খুন করে ঝুলিয়ে দিয়ে আত্মহত্যা বলে চালানো হচ্ছে।” কৈলাসের এই মন্তব্যের পর পরই উত্তর ২৪ পরগনা জেলা তৃণমূল সভাপতি জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক পাল্টা কৈলাসের উদ্দেশ্যে বলেন, “মধ্যপ্রদেশের নেতা কৈলাস বাংলার ভৌগলিক অবস্থান বোঝেন না। তাছাড়া সীমান্তের ভার কেন্দ্রীয় সংস্থা বিএসএফ-এর। অনুপ্রবেশ হলে তার দায় কেন্দ্রের।”

মণীশ শুক্ল খুনে বাংলাদেশ থেকে শ্যুটার আনিয়েছিল তৃণমূল, দাবি কৈলাস বিজয়বর্গীয়-র 2