ফের প্রকাশ্যে তৃণমূলের গোষ্ঠীকোন্দল,দক্ষিণ দিনাজপুর মৃত্যু দলের নেতা-কর্মীর

170
ফের প্রকাশ্যে তৃণমূলের গোষ্ঠীকোন্দল,দক্ষিণ দিনাজপুর মৃত্যু দলের নেতা-কর্মীর 1

নিউজ ডেস্ক:এলাকা দখলকে কেন্দ্র করে ছোটোখাটো বচসা চলছিল রোজ।যা মঙ্গলবার বড় আকার ধারণ করে। তৃণমূল কংগ্রেসের গোষ্ঠীকোন্দলে উত্তপ্ত হয়ে উঠল দক্ষিণ দিনাজপুর। এদিন গঙ্গারামপুরে তৃণমূলের দু’পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের জেরে দুই তৃণমূল কংগ্রেস নেতা–কর্মীর মৃত্যু হয়।

ফের প্রকাশ্যে তৃণমূলের গোষ্ঠীকোন্দল,দক্ষিণ দিনাজপুর মৃত্যু দলের নেতা-কর্মীর 2

যদিও দলীয় কোন্দলের বিষয়ে মুখ খুলতে নারাজ স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব। অভিযোগ, এই সংঘর্ষের পেছনে অন্য রাজনৈতিক দলের মদত রয়েছে।

ফের প্রকাশ্যে তৃণমূলের গোষ্ঠীকোন্দল,দক্ষিণ দিনাজপুর মৃত্যু দলের নেতা-কর্মীর 3

মৃত্যু হয়েছে তৃণমূল নেতা কালিপদ সরকারের। এই ঘটনায় ঘিরে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে জেলা তৃণমূলের অন্দরে। পুলিশের দাবি, হৃদযন্ত্র বিকল হয়ে মৃত্যু হয়েছে কালিপদ সরকারের। তার মৃত্যুর কারণ ঘিরে ধোঁয়াশা ছড়িয়েছে। দক্ষিণ দিনাজপুরের গঙ্গারামপুর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি ছিলেন কালিপদবাবু।
গঙ্গারামপুরের শুকদেবপুর এলাকায় কার প্রভাব থাকবে, তা নিয়ে দুই গোষ্ঠীর মধ্যে অশান্তি বাঁধে। এক গোষ্ঠীর সদস্যরা অপর গোষ্ঠীর উপর চড়াও হয়। ব্যাপক মারধর, বাড়িতে আগুন দেওয়ার পাশাপাশি গুলি চালানোরও অভিযোগ এসেছে। তৃণমূল নেতাকে পিটিয়ে খুন করার অভিযোগ উঠেছে দলেরই সদস্যদের বিরুদ্ধে। তৃণমূল কর্মী সন্দীপ সরকার গুলিবিদ্ধ হন। মালদহের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পর তার মৃত্যু হয়েছে।
দু’‌পক্ষের মধ্যে মারপিটও হয় বলে অভিযোগ । আর তাতেই কালিপদ সরকার জখম হন বলে প্রাথমিকভাবে অনুমান। সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে চিকিৎসার জন্য গঙ্গারামপুর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই চিকিৎসকরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। সুমন রায় নামে এক তৃণমূল কর্মীর বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়।

এই মুহুর্তে ঘটনাস্থলে মোতায়েন রয়েছে বিশাল পুলিশবাহিনী ও কমব্যাট ফোর্স। ঘটনার তদন্তে নেমেছে গঙ্গারামপুর থানার পুলিশ।

Previous articleক্রান্তিকালের মনীষা-২৪, অক্ষয় কুমার দত্ত: বিনোদ মন্ডল
Next articleফের বিক্ষোভ মমতার সভায়,মেজাজ হারালেন মুখ্যমন্ত্রী।দুষলেন বিজেপিকে