অবশেষে ভাঙা হল খাকুড়দার বিপদজ্জনক বিশ্রামাগার

176
অবশেষে ভাঙা হল খাকুড়দার বিপদজ্জনক বিশ্রামাগার 1
অবশেষে ভাঙা হল খাকুড়দার বিপদজ্জনক বিশ্রামাগার 2

নিজস্ব সংবাদদাতা: শেষ অবধি ভেঙে ফেলা হল বেলদা থানার অন্তর্গত খাকুড়দা বাজার সংলগ্ন বিশ্রামাগারটি। শুক্রবার রাতভর কাজ করে বুলডেজারের সাহায্য নিয়ে ভেঙে ফেলল প্রশাসন। প্রায় দু’দশক আগে বাম আমলে তৈরি হওয়া এই বহু সুবিধা যুক্ত বিশ্রামাগারটি এক সময় এই এলাকার গর্ব ছিল। দ্বিতল বিশিষ্ট এই গৃহে বাজার কমিটির অফিসের পাশাপাশি ক্রেতা বিক্রেতা ও বাসযাত্রীদের জন্য বিশ্রাম নেওয়ার সুব্যবস্থা ছিল। কিন্তু বর্তমান গ্রাম পঞ্চায়েতের আমলে দেখভালের অভাবে সেটি জীর্ন হয়ে পড়ে। এরপর দু’দুবার এর চাঙড় ভেঙে আহত হন যাত্রীরা। প্রশাসনিক উদাসীনতার কারনে ক্ষোভে ফেটে পড়েন ব্যবসায়ীরা।

অবশেষে ভাঙা হল খাকুড়দার বিপদজ্জনক বিশ্রামাগার 3

প্রথম বার ঘটনা ঘটার পর খুব্ধজনতা বেলদা কাঁথি গামি রাস্তার খাকুড়দার উপর অবরোধ  করেছিল । দীর্ঘক্ষন রাস্তা অবরোধ চলার পর প্রশাসনিক আশ্বাসে তা উঠে যায়।তবে তা পরে কার্যকর  হয়নি। শুধুমাত্র বিপদজনক  বলে  তুতরাঙ্গা গ্রাম পঞ্চায়েতর পক্ষ থেকে একটি বোর্ড লাগিয়ে দেওয়া হয়।কিন্তু বোর্ড লাগানোর পর দীর্ঘ দিন কেটেগেলেও কোন রুপ কাজ না হয়ায় যাত্রীরা সেটিকে সরিয়ে পুনরায় ব্যবহার করতে থাকে বিশ্রামাগারটিকে।

অবশেষে ভাঙা হল খাকুড়দার বিপদজ্জনক বিশ্রামাগার 4

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
দ্বিতীয় বার ঠিক একইভাবে প্রথম বারো মত পুনরায় ভেঙ্গে পড়লে আহত হন এক যাত্রী ।এরপর টনক নড়ে প্রশাসনের। তাই শুক্রবার ভেঙ্গে ফেলা হবে বিশ্রামাগারটিকে আগাম নোটিশ দিয়ে দোকানদার দের সোরে যেতে বলা হয়।  সেই মত শুক্রবার পুলিশ  প্রশাসনের  নজরদারিতে গ্রাম পঞ্চায়েতের সহযোগিতায়  সেটিকে ভেঙ্গে ফেলা হয়। তবে বিশ্রামাগারটিকে নতুন করে গড়ে তোলার সম্ভাবনা এখন নেই ।কারণ সূত্রের খবর বেলদা থেকে জাহালদা গামী এই রাস্তার দুই দিকের অংশ ভেঙ্গে নতুন করে রাস্তা সম্প্রসারণ করা হবে ।

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
নারায়ণগড় এর বি.ডি.ও বিশ্বজিৎ ঘোষ জানান-“বেলদা কাঁথি এই রাস্তার দুদিকে সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে । সেইমতো কতটা জায়গা প্রয়োজন তা নির্দিষ্ট না করা পর্যন্ত নতুন করে বিশ্রামাগার টি গড়ে তোলা সম্ভব নয়।”

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});
অপরদিকে নারায়ণগড় বিধায়ক প্রদ্যুৎ ঘোষ এর বক্তব্য -” ২০১৮-১৯ বর্ষে আমি আমার তহবিল থেকে পাঁচ লক্ষ টাকা দিয়েছি সেদিকে ভেঙ্গে নতুন করে গড়ে তোলার জন্য ।রাস্তা সম্প্রসারণ পরিকল্পনা রয়েছে ।তাই এই মুহূর্তে নতুন করে বিশ্রামাগারটি গড়ে তোলা সম্ভব নয় । এখন বিশ্রামাগারটি নতুন করে তৈরি করলে রাস্তা সম্প্রসারণের সময় সেই জায়গার মধ্যে বিশ্রামাগার টি পড়ে গেলে আবার ভাঙতে হবে । তাই রাস্তা সম্প্রসারণের কাজ সম্পন্ন হলে নির্দিষ্ট জায়গা দেখে নতুন করে গড়ে তোলা হবে ।”