ফের বিটাউনে ইন্দ্রপতন, মাত্র ৪৩ বছরেই চিরনিদ্রায় সঙ্গীত শিল্পী ওয়াজিদ খান

849
ফের বিটাউনে ইন্দ্রপতন, মাত্র ৪৩ বছরেই চিরনিদ্রায় সঙ্গীত শিল্পী ওয়াজিদ খান 1
ফের বিটাউনে ইন্দ্রপতন, মাত্র ৪৩ বছরেই চিরনিদ্রায় সঙ্গীত শিল্পী ওয়াজিদ খান 2

ওয়েব ডেস্ক : চলে গেলেন বলিউডের এক বিখ্যাত সঙ্গীত পরিচালক ওয়াজিদ খান। মাত্র ৪৩ বছর বয়সে চলে গেলেন চির ঘুমের দেশে। সেই সাথে না চাইতেই ভেঙে দিয়ে গেলেন পছন্দের সাজিদ- ওয়াজিদ জুটি।

জানা গিয়েছে বেশ কিছুদিন যাবত ওয়াজিদ খান কিডনি সমস্যায় ভুগছিলেন। কিডনি সংক্রমণ নিয়েই চেম্বুরের সুরানা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি। অবশেষে সোমবার ভোরে সেখানেই মৃত্যু হয় এই জনপ্রিয় গায়ক তথা সঙ্গীত পরিচালকের।

ফের বিটাউনে ইন্দ্রপতন, মাত্র ৪৩ বছরেই চিরনিদ্রায় সঙ্গীত শিল্পী ওয়াজিদ খান 3

ওয়াজিদের মৃত্যুর খবর প্রথম ট্যুইট করে জানিয়েছেন জনপ্রিয় সঙ্গীতশিল্পী সনু নিগম। ট্যুইটে তিনি দাবি করেন, করনা আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে ওয়াজিদের। কিন্তু ওয়াজিদের বন্ধু তথা বলিউডের আর এক সঙ্গীত পরিচালক সেলিম মারচেন্ট সংবাদসংস্থা পিটিআইকে জানিয়েছেন, “কয়েক মাস আগে ওয়াজিদের কিডনি ট্রান্সপ্লান্ট হয়। কিন্তু সম্প্রতি আবার কিডনিতে সংক্রমণ হয় তাঁর। চারদিন ধরে ভেন্টিলেশনে ছিলেন তিনি। রবিবার থেকেই অবস্থা খারাপ হয়। সোমবার সকালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন ওয়াজিদ।”

১৯৯৮ সালে সলমন খানের একটি জনপ্রিয় ছবি দিয়ে বিটাউনে পা রাখেন ওয়াজিদ খান। এরপর একের পর এক হিট ছবি উপহার দিয়েছেন ভক্তদের। যার বেশিরভাগটাই বলিউডের ‘দাবাং’ সলমন খানের সাথে।  এভাবে ধীরে ধীরে বলিউডে নিজেদের জায়গা করে নেন সাজিদ-ওয়াজিদ জুটি। তাদের হিট মিউজিকের মধ্যে রয়েছে গর্ব, তেরে নাম, তুমকো না ভুল পায়েঙ্গে, পার্টনার, দবং ১, দবং ২, দবং ৩, ওয়ান্টেড, এক থা টাইগার প্রভৃতি।

সম্প্রতি করনা আবহেও একটি মিউজিক লঞ্চ করেছিলেন এই দাদা-ভাই জুটি। এপ্রিল মাসেই সেটি প্রকাশ পায়। সেখানে সলমন ছাড়াও আরও কয়েকজন তারকাদের দেখা গিয়েছে। জনপ্রিয় এই সঙ্গীত শিল্পী তথা মিউজিক পরিচালকের অকালপ্রয়াণে স্বাভাবিকভাবেই শোকস্তব্ধ বিটাউন থেকে অনুরাগী প্রত্যেকেই। সকলেই ভাবছেন ওয়াজিদের চলে যাওয়াতে কি তাহলে ভেঙে যেতে চলেছে সাজিদ-ওয়াজিদ জুটি? নাকি ভাইয়ের স্মৃতি আগলে রাখবেন দাদা সাজিদ?

সম্প্রতি বেশ কয়েকটি দুঃখ জনক মৃত্যু দেখেছে বলিউড। এঁদের অনেকেই মারা গেছেন যাঁদের মৃত্যুর মত বয়স হয়েছিল। কিন্ত আক্ষরিক অর্থে যে মৃত্যু ভারতীয় চলচ্চিত্রের চূড়ান্ত ক্ষতি করে দিয়ে গেছে তা ইরফান খানের মৃত্যু, যে ক্ষতি পূরণ হওয়ার নয়। সেই ধাক্কা সামলে ওঠার আগেই আবার এক নবীন প্রতিভাবান শিল্পী ওয়াজিদের এই অকাল প্রয়ান আবারও ক্ষতির মুখে ঠেলে দিল ভারতীয় চলচ্চিত্র তথা সঙ্গীত জগৎকে।