মেদিনীপুরে কালবৈশাখীর দাপট, প্রানে বাঁচলেন ইয়াসিন পাঠান ও তাঁর পরিবার

387
Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা: শনিবার সন্ধ্যায় হঠাৎই ঝাঁপিয়ে পড়া কালবৈশাখীর দাপট থেকে প্রানে বাঁচালেন পাথরা পুরাতত্ব সংরক্ষন কমিটির প্রান পুরুষ ইয়াসিন পাঠান ও তাঁর পরিবার। এদিন সন্ধ্যার প্রাক মুহূর্তে মেদিনীপুর সহ প্রায় সমগ্র দক্ষিনবঙ্গই কালবৈশাখী ঝড়ের দাপট দেখেছে। ব্যতিক্রম হয়নি মেদিনীপুর সদর থানার পাঁচখুরী -২ গ্রাম পঞ্চায়েতের হাতিহলকা গ্রাম।

Advertisement

মিনিট কয়েকের ঝড়ে তছনছ হয়ে যায় গ্রামটির বহু বাড়ি। হাতিহলকা মসজিদের একটি বাড়ির ওপর ভেঙে পড়ে একটি বিশাল বড় গাছ আর ইয়াসিনের বাড়ির সামনে ভেঙে পড়ে একটি বিদ্যুৎ পরিবাহী খুঁটি। ইয়াসিন জানান, ”ঝড়ের ওই মুহূর্তে বাড়ির উঠোন থেকে জামা কাপড় সরিয়ে আনার সময় হঠাৎই আমার বাড়ির গেটের ওপর ভেঙে পড়ে খুঁটিটি। অল্পের জন্য আমি বেঁচে গেছি। আর কোনও ভাবে বিদ্যুতের তার ছিঁড়ে গেলে আমার পুরো বাড়িটা বিদুৎস্পৃষ্ট হয়ে যেতে পারত।”

Advertisement
Advertisement

ইয়াসিন আরও জানিয়েছেন, ” গোটা গ্রাম জুড়েই বহু জায়গায় বিদ্যুৎ এর খুঁটি ভেঙেছে, উপড়ে পড়েছে একাধিক গাছ। তছনছ হয়ে গেছে বেশ কিছু ছোট বাড়ি । মুহূর্তের মধ্যেই ওলট পালট হয়ে গেছে গোটা গ্রাম। যেন একটা বিশাল টর্নেডো বয়ে গেছে গ্রামের মধ্যে দিয়ে।”
হাতিহলকা গ্রামের চাষিদের আতঙ্ক বাড়িয়ে প্রায় ১০০ বিঘা জমির পাকা বোরো ধানের ক্ষেতের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।

ইয়াসিন বলেন, ”এমনিতেই লকডাউনের বাজারে মানু্ষের রুটি রুজি বন্ধ। দিন আনি দিন খাই মানুষ তো দুরের কথা মধ্যবিত্ত মানু্ষেরই জীবন ধারন করা মুশকিল হয়ে পড়েছে। তার ওপর ঘর বাড়ি ও ফসল নষ্টের দুশ্চিন্তায় আমরা দিশেহারা।”